বৃহস্পতিবার, ২৮ মে ২০২৬, ১১:১১ অপরাহ্ন

শিরোনামঃ
সততা ও সচেতনতায় দেশ এগিয়ে যাবে: কুমিল্লায় ঈদের জামাত শেষে কৃষিমন্ত্রী গোপালগঞ্জে মোটরসাইকেলে বাসের ধাক্কা: ঈদেই ঝরল ৫ প্রাণ, আহত ২৫ ইরান যুদ্ধ নিয়ে সংবাদ: মার্কিন গণমাধ্যম ও ডেমোক্র্যাটরা পাগল হয়ে গেছে, দাবি ট্রাম্পের ত্যাগের মহিমায় ভাস্বর হোক জীবন: দেশবাসীকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ঈদের শুভেচ্ছা স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্র গঠন ছাড়া ইসরায়েলের সাথে কোনো সম্পর্ক নয়: ট্রাম্পের প্রস্তাব নাকচ করল সৌদি ও পাকিস্তান ‎লালমনিরহাটে ডিসি পার্ক আবাসনে ৩ ভাই-বোন পেলেন নতুন ঘর, দায়িত্ব নিলেন ত্রাণমন্ত্রী দুলু উলিপুরে ভিজিএফের ১০৪ স্লিপসহ আটক ব্যক্তি রাতে মুক্ত, জনমনে প্রশ্ন অসহায় মানুষের মুখে ঈদের হাসি ফুটাতে ‘সত্যের কণ্ঠ যুব কল্যাণ সংগঠন’-এর ব্যতিক্রমী মানবিক উদ্যোগ

প্রতারণার তিন মামলা: ইভ্যালির রাসেল-শামীমার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা

নিজস্ব প্রতিবেদক, একুশের কণ্ঠ:: ইভ্যালির ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) মোহাম্মদ রাসেল ও চেয়ারম্যান শামীমা নাসরিনের বিরুদ্ধে প্রতারণার পৃথক তিন মামলায় গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন আদালত।

সোমবার (৪ মার্চ) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বেগম ফারাহ দিবা ছন্দার আদালত এ পরোয়ানা জারি করেন।

বাদীপক্ষের আইনজীবী সাকিবুল ইসলাম সাংবাদিকদের বিষয়টি জানান।

সাকিবুল ইসলাম বলেন, পৃথক তিন মামলায় ইভ্যালির ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) মোহাম্মদ রাসেল ও চেয়ারম্যান শামীমা নাসরিনের আদালতে হাজির হওয়ার দিন ধার্য ছিলো। কিন্তু এদিন তারা আদালতে হাজির হননি। এজন্য আমরা আদালতে তাদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির আবেদন করি। আদালত আবেদন মঞ্জুর করেন।

এক মামলার অভিযোগে বলা হয়, ২০২১ সালের ৩০ জানুয়ারি আসামিদের প্রতিষ্ঠান থেকে মামলার বাদী তানভীর আহমেদ একটি মোটরসাইকেল কেনার জন্য ২ লাখ ৯৬ হাজার ৩৪৮ টাকা পরিশোধ করেন। পরবর্তীতে মোটরসাইকেল না দিয়ে আসামিরা বাদীকে সমপরিমাণ টাকার চেক দেন। সেই চেকের টাকা না পেয়ে গত ৪ ফেব্রুয়ারি আদালতে বাদী মামলাটি করেন।

আরেক মামলার অভিযোগে বলা হয়, ২০২১ সালের ২৬ মার্চ আসামিদের প্রতিষ্ঠান থেকে মামলার বাদী মো. মাইন উদ্দীন একটি মোটরসাইকেল কেনার জন্য ২ লাখ ৯৯ হাজার ৭৪০ টাকা পরিশোধ করেন। পরবর্তীতে মোটরসাইকেল না দিয়ে আসামিরা সমপরিমাণ টাকার চেক দেন। সেই চেকের টাকা না পেয়ে গত ৪ ফেব্রুয়ারি আদালতে মামলাটি করেন।

অন্য মামলার অভিযোগে বলা হয়, ২০২১ সালের ২০ মার্চ আসামিদের প্রতিষ্ঠান থেকে মামলার বাদী তৌফিক মাহমুদ তিনটা মোটরসাইকেল কেনার জন্য ৮ লাখ ৩৫ হাজার টাকা পরিশোধ করেন। পরবর্তীতে মোটরসাইকেল না দিয়ে আসামিরা সমপরিমাণ টাকার চেক দেন। চেকের টাকা না পেয়ে গত ৪ ফেব্রুয়ারি মামলার বাদী আদালতে মামলাটি করেন।

জানা গেছে, এ তিন মামলায় তাদের আদালতে হাজির হতে সমন জারি করা হয়েছিল। কিন্তু তারা হাজির হননি। এজন্য আদালত তাদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন।

সংবাদটি শেয়ার করুন

© All rights reserved © 2024  Ekusharkantho.com
Technical Helped by Curlhost.com