শুক্রবার, ২৯ মে ২০২৬, ১২:১১ পূর্বাহ্ন

শিরোনামঃ
সততা ও সচেতনতায় দেশ এগিয়ে যাবে: কুমিল্লায় ঈদের জামাত শেষে কৃষিমন্ত্রী গোপালগঞ্জে মোটরসাইকেলে বাসের ধাক্কা: ঈদেই ঝরল ৫ প্রাণ, আহত ২৫ ইরান যুদ্ধ নিয়ে সংবাদ: মার্কিন গণমাধ্যম ও ডেমোক্র্যাটরা পাগল হয়ে গেছে, দাবি ট্রাম্পের ত্যাগের মহিমায় ভাস্বর হোক জীবন: দেশবাসীকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ঈদের শুভেচ্ছা স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্র গঠন ছাড়া ইসরায়েলের সাথে কোনো সম্পর্ক নয়: ট্রাম্পের প্রস্তাব নাকচ করল সৌদি ও পাকিস্তান ‎লালমনিরহাটে ডিসি পার্ক আবাসনে ৩ ভাই-বোন পেলেন নতুন ঘর, দায়িত্ব নিলেন ত্রাণমন্ত্রী দুলু উলিপুরে ভিজিএফের ১০৪ স্লিপসহ আটক ব্যক্তি রাতে মুক্ত, জনমনে প্রশ্ন অসহায় মানুষের মুখে ঈদের হাসি ফুটাতে ‘সত্যের কণ্ঠ যুব কল্যাণ সংগঠন’-এর ব্যতিক্রমী মানবিক উদ্যোগ

ড. ইউনূসের আবেদন হাইকোর্টে খারিজ, ৫০ কোটি টাকা দিতে হবে

আদালত প্রতিবেদক:: শান্তিতে নোবেলজয়ী ড. মুহাম্মদ ইউনূসের আবেদন খারিজ করে দিয়েছেন হাইকোর্ট। গ্রামীন টেলিকম ট্রাস্টকে ৫০ কোটি টাকা জমা দিয়ে ২০১১ থেকে ১৩ করবর্ষের আয়কর আপিল ফাইল করার রায় দেওয়া হয়েছে।

সোমবার (১২ ফেব্রুয়ারি) বিচারপতি মো. খুরশীদ আলম সরকার ও বিচারপতি রাশেদ জাহাঙ্গীরের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় দেন।

হাইকোর্ট জানান, আইন অনুযায়ী যেটা দেওয়ার সেটাই ড. ইউনূসকে দিতে হবে। এখানে অনুকম্পা দেখানোর কোনো সুযোগ নেই।

এর আগে গত ২৮ জানুয়ারি আদালতে উপস্থিত হয়ে শ্রম আইন লঙ্ঘনের মামলায় শ্রম আদালতের রায়ের বিরুদ্ধে শ্রম আপিল ট্রাইব্যুনালে আবেদন করেন ড. ইউনূস ও গ্রামীণ টেলিকমের অন্য তিন শীর্ষ কর্মকর্তা।

এর আগে গত ১ জানুয়ারি ঢাকার তৃতীয় শ্রম আদালতের চেয়ারম্যান শেখ মেরিনা সুলতানা এক মামলায় গ্রামীণ টেলিকমের চেয়ারম্যান ড. ইউনুস এবং এর পরিচালক আশরাফুল হাসান, নুরজাহান বেগম ও এম শাহজাহানকে ছয় মাসের কারাদণ্ড দেন। একই সঙ্গে তাদের চারজনকেই ৩০ হাজার টাকা করে জরিমানা এবং অনাদায়ে আরও ২৫ দিন কারাদণ্ড দেন আদালত। আর রায়ের পরই পৃথক জামিন আবেদন করলে তাদের আবেদনের প্রেক্ষিতে চারজনকেই জামিন দেন আদালত।

উল্লেখ্য, ২০২১ সালের ৯ সেপ্টেম্বর ঢাকার তৃতীয় শ্রম আদালতে মামলাটি করেন কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন বিভাগের শ্রম পরিদর্শক (সাধারণ) এসএম আরিফুজ্জামান। মামলার নথি অনুসারে, আইএফইডি কর্মকর্তারা ২০২১ সালের ১৬ আগস্ট ঢাকার মিরপুরে গ্রামীণ টেলিকমের অফিস পরিদর্শন করে শ্রম আইনের বেশকিছু লঙ্ঘন খুঁজে পান। সেই বছরের ১৯ আগস্ট গ্রামীণ টেলিকম কর্তৃপক্ষকে চিঠি পাঠিয়ে বলা হয়, প্রতিষ্ঠানটির ৬৭ কর্মচারীকে স্থায়ী করার কথা ছিল, কিন্তু তা করা হয়নি। এ ছাড়া, কর্মচারীদের পার্টিসিপেশন ও কল্যাণ তহবিল এখনো গঠন করা হয়নি এবং কোম্পানির যে লভ্যাংশ শ্রমিকদের দেওয়ার কথা ছিল তার পাঁচ শতাংশও পরিশোধ করা হয়নি।

সংবাদটি শেয়ার করুন

© All rights reserved © 2024  Ekusharkantho.com
Technical Helped by Curlhost.com