শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০২:২৬ অপরাহ্ন
অনলাইন ডেস্ক, একুশের কণ্ঠ:: আগামী বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) ২০২৭ সালের পবিত্র হজের প্রাথমিক নিবন্ধনের সময় শেষ হচ্ছে। আগামী বছর হজ পালনে আগ্রহীদের নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নিবন্ধন সম্পন্ন করতে হবে। তবে নির্দিষ্ট কিছু শারীরিক অসুস্থতায় আক্রান্ত ব্যক্তি এবং নির্দিষ্ট বয়সের শিশুরা ২০২৭ সালের হজে অংশ নিতে পারবেন না।
ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ২৪ সেপ্টেম্বরের পর হজের নিবন্ধনের সময় আর বাড়ানো হবে না। নিবন্ধন কার্যক্রম শেষ হওয়ার পর সৌদি সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী বাংলাদেশ থেকে চূড়ান্ত হজযাত্রীর সংখ্যা সৌদি কর্তৃপক্ষকে জানানো হবে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের ১৭ সেপ্টেম্বরের সার্কুলারেও বলা হয়েছে, ২৭ জুলাই থেকে ২০২৭ সালের হজের নিবন্ধন শুরু হয়েছে এবং ২৪ সেপ্টেম্বর তা শেষ হবে। নির্ধারিত সময়ের পর নিবন্ধনের সময় বাড়ানোর সুযোগ নেই।
যেসব ব্যক্তি হজে যেতে পারবেন না
ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা অনুযায়ী, ১৫ বছরের কম বয়সী শিশুরা ২০২৭ সালের হজে অংশ নিতে পারবে না। এ ছাড়া দীর্ঘমেয়াদি হৃদরোগ, ফুসফুস, লিভার ও কিডনি রোগে আক্রান্ত ব্যক্তিদের হজে যাওয়ার অনুমতি দেওয়া হবে না। একইভাবে স্নায়বিক রোগ, গুরুতর মানসিক অসুস্থতা এবং ডিমেনশিয়ায় আক্রান্ত ব্যক্তিরাও হজ পালনের সুযোগ পাবেন না।
কেমোথেরাপি, বায়োলজিক্যাল থেরাপি বা রেডিওথেরাপি নিচ্ছেন এমন ক্যানসার রোগীরাও হজে যেতে পারবেন না। জনস্বাস্থ্যের জন্য ঝুঁকি তৈরি করতে পারে-এমন সক্রিয় সংক্রামক রোগে আক্রান্ত ব্যক্তিরাও এ তালিকায় রয়েছেন। এর মধ্যে যক্ষ্মা (টিবি) ও হেমোরেজিক ফিভারের মতো রোগ রয়েছে।
এ ছাড়া গর্ভাবস্থার শেষ দুই মাসে থাকা নারী এবং উচ্চঝুঁকিপূর্ণ গর্ভাবস্থায় থাকা নারীদের হজের জন্য ফিটনেস সার্টিফিকেট দেওয়া হবে না। ফলে তারাও ২০২৭ সালের হজে অংশ নিতে পারবেন না।
নিবন্ধনের সময় যেসব তথ্য দিতে হবে
হজের প্রাথমিক নিবন্ধনের সময় প্রশিক্ষণ ও টিকাদানের জন্য জেলা নির্বাচন করতে হবে। একই সঙ্গে হজের ধরন ও প্যাকেজ নির্বাচন করতে হবে। হজযাত্রীর পাসপোর্টের মেয়াদ ৩১ ডিসেম্বর ২০২৭ পর্যন্ত থাকতে হবে।
ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নিবন্ধন সম্পন্ন হওয়ার পর সৌদি সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী বাংলাদেশ থেকে হজে যেতে ইচ্ছুক মানুষের চূড়ান্ত সংখ্যা সৌদি কর্তৃপক্ষকে জানানো হবে। এরপর সৌদি পর্বের অর্থ প্রেরণ, মেডিকেল চেকআপ, ফিটনেস সনদ, টিকাদান ও প্রশিক্ষণসহ প্রয়োজনীয় কার্যক্রম নেওয়া হবে।