বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:১১ অপরাহ্ন
রাণীশংকৈল (ঠাকুরগাঁও) প্রতিনিধি:: ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈলে ফ্যামিলি কার্ড বাস্তবায়নের লক্ষ্যে বাড়ি বাড়ি গিয়ে তথ্য সংগ্রহ কার্যক্রম শুরু হয়েছে।
বুধবার (১৪ অক্টোবর) উপজেলার ৮ নম্বর নন্দুয়ার ইউনিয়নের ভন্ডগ্রাম এলাকায় এ কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন স্থানীয় সংসদ সদস্যের প্রতিনিধি ও সাবেক চেয়ারম্যান জমিরুল ইসলাম।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ইশরাত জাহানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে উপজেলা বিএনপির সভাপতি আতাউর রহমান, উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা আব্দুর রহিম, যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা আব্দুস সামাদ, পৌর বিএনপির সভাপতি শাহজাহান আলী, উপজেলা মহিলা দলের আহ্বায়ক অধ্যাপক মুনিরা বিশ্বাস ও সদস্যসচিব আনার কলিসহ বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, উপকারভোগী ও তথ্য সংগ্রহকারীরা উপস্থিত ছিলেন।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে জমিরুল ইসলাম বলেন, ফ্যামিলি কার্ড প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের একটি যুগান্তকারী ও মানবিক উদ্যোগ। দেশের কোনো পরিবার যেন রাষ্ট্রীয় সেবার বাইরে না থাকে, সেই লক্ষ্য সামনে রেখেই একটি পরিবারের জন্য একটি কার্ডের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।
তিনি বলেন, আগে বিভিন্ন সরকারি ভাতা ও সহায়তা পেতে মানুষকে নানা জায়গায় ঘুরতে হতো। ফ্যামিলি কার্ডের মাধ্যমে পরিবারগুলোকে সামাজিক নিরাপত্তার আওতায় আনার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। এর ফলে সরকারি সহায়তা প্রদানের ক্ষেত্রে হয়রানি কমানো এবং সেবা বিতরণে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার সুযোগ তৈরি হবে।
তথ্য সংগ্রহকারীদের উদ্দেশে জমিরুল ইসলাম বলেন, তথ্য সংগ্রহের ক্ষেত্রে কোনো ধরনের অনিয়ম, স্বজনপ্রীতি কিংবা দলীয় বিবেচনার সুযোগ থাকা উচিত নয়। প্রকৃত দরিদ্র, অসহায় ও সহায়তাপ্রত্যাশী পরিবারগুলো যাতে যথাযথভাবে তালিকাভুক্ত হয়, সে বিষয়ে সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে। নির্ভুল তথ্য সংগ্রহ ও নিরপেক্ষ যাচাইয়ের মাধ্যমেই এ উদ্যোগের সুফল নিশ্চিত করা সম্ভব।
সভাপতির বক্তব্যে ইউএনও ইশরাত জাহান বলেন, ফ্যামিলি কার্ড বাস্তবায়িত হলে সরকারি সেবা প্রদান আরও স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক করার সুযোগ তৈরি হবে। এ কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে বাস্তবায়নের জন্য তিনি সংশ্লিষ্ট সবাইকে সঠিক তথ্য দিয়ে সহযোগিতা করার আহ্বান জানান।
সংশ্লিষ্টদের মতে, মাঠপর্যায়ে তথ্য সংগ্রহ ও যাচাই কার্যক্রম সঠিকভাবে সম্পন্ন করা গেলে প্রকৃত উপকারভোগী পরিবার চিহ্নিত করা সহজ হবে। তাই তথ্য সংগ্রহের প্রতিটি ধাপে নিরপেক্ষতা, নির্ভুলতা ও স্বচ্ছতা বজায় রাখাই এখন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।