শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ০৯:৪৩ অপরাহ্ন
একুশের কন্ঠ ডেস্ক : যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে রিপাবলিকান পার্টির বিপর্যয় ও কংগ্রেসের নিয়ন্ত্রণ হারানোর পর প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসনের বিচার বিভাগ থেকে পদত্যাগ করেছেন তিন শীর্ষ কর্মকর্তা।
তাদের মধ্যে নাগরিক অধিকার শাখার প্রধান এবং ট্রাম্পের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রের মামলার তদন্তকারী একজন সরকারি আইনজীবীও আছেন।
যুক্তরাষ্ট্রের অ্যাটর্নি জেনারেল টড ব্ল্যানশে বৃহস্পতিবার জানিয়েছেন যে, তিনি নাগরিক অধিকার বিষয়ক সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল হারমিত ধিলোঁর পদত্যাগপত্র গ্রহণ করেছেন।
এই পদে থাকার সময় ধিলোঁ এ সপ্তাহে মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে সরাসরি চেষ্টা করেছিলেন প্রায় ৩০টি রাজ্য থেকে ভোটার নিবন্ধন তালিকা জোগাড় করতে, কিন্তু তিনি সফল হননি। আর এই নির্বাচনেই ট্রাম্পের রিপাবলিকান দলের বড় ধরনের হার হয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্রের গণমাধ্যমগুলো জানিয়েছে, ধিলোঁ তার পদত্যাগপত্রে উল্লেখ করেছেন যে, তিনি অক্টোবরেই এটি জমা দিয়েছিলেন এবং নির্বাচন পর্যন্ত নিজ পদে বহাল থাকতে সম্মত হয়েছিলেন।
যুক্তরাষ্ট্রের অ্যাটর্নি জেনারেল টড ব্ল্যানশে শুক্রবার জাতীয় নিরাপত্তা বিষয়ক সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল জন আইজেনবার্গ এবং ফ্লোরিডার সাউদার্ন ডিস্ট্রিক্টের অ্যাটর্নি জেসন রেডিং কুইনেসের পদত্যাগেরও ঘোষণা দিয়েছেন।
কুইনোনস এমন কয়েকজন সাবেক গোয়েন্দা কর্মকর্তার বিরুদ্ধে তদন্ত তদারকি করছিলেন, যাদের বিরুদ্ধে ট্রাম্প তাকে ক্ষমতা থেকে সরানোর চেষ্টার অভিযোগ এনেছিলেন।
ট্রাম্পের অধীনে বিচার বিভাগ তাদের বেশ কয়েকজন অনুমিত শত্রুর বিরুদ্ধে মামলা পরিচালনা করেছে। আর যে সব সরকারি আইনজীবী অনিচ্ছার কারণে বা ব্যর্থতার জন্য সেই মামলাগুলো করতে পারেননি, তাদের কয়েকজনকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হয়েছে।
বিচার বিভাগের আনা একটি মামলায় গোয়েন্দা সংস্থা এফবিআই-এর সাবেক পরিচালক জেমস কোমিকে এপ্রিলে অভিযুক্ত করা হয়। তার বিরুদ্ধে অভিযোগ, তিনি ইনস্টাগ্রামে সমুদ্র সৈকতে শামুক দিয়ে ‘৮৬ ৪৭’ লেখা একটি ছবি পোস্ট করে ট্রাম্পকে মেরে ফেলার হুমকি দিয়েছিলেন।