শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ০৮:৫৮ অপরাহ্ন

সালমান খানকে খুনের পরিকল্পনা, বন্দুকধারী গ্রেপ্তার

বিনোদন ডেস্ক::

ভারতের উত্তর প্রদেশের ফরিদাবাদের রেশন ডিলার প্রবীণকে খুনের দায়ে এক বন্দুকধারীকে গ্রেফতার করেছে উত্তরাখণ্ডের পুলিশ। তাকে জিজ্ঞাসাবাদের পর পুলিশ জানতে পারে, এই আসামি বলিউড সুপারস্টার সালমান খানকে হত্যার পরিকল্পনা করছিল!

গত ২৪ জুন প্রবীণকে খুন করে পালিয়ে যায় কুখ্যাত গ্যাংস্টার লরেন্স বিষ্ণোইয়ের দলের সদস্য রাহুল ওরফে সাঙ্গা ওরফে বাবা নামের ওই অভিযুক্ত ব্যক্তি।

গত ১৫ আগস্ট তাকে ফাঁদে ফেলে আটক করে পুলিশ। এরপরই তার কাছ থেকে সালমানকে হত্যার পরিকল্পনা করার চাঞ্চল্যকর তথ্য বেরিয়ে আসে। এ নিয়ে প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে টাইমস অব ইন্ডিয়া, ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের মতো ভারতের প্রথমসারির সংবাদমাধ্যমগুলো।

প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, রাহুল নামের ওই আসামি সালমান খানকে হত্যার জন্য চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে সুযোগ খুঁজছিলেন। সেজন্য মুম্বাইতেও গিয়েছিলেন তিনি। কুখ্যাত গ্যাংস্টার লরেন্সের নির্দেশে তিনি দুদিন ধরে অভিনেতার বাড়িতে নজর রাখে। সালমান খান বাড়িতে কখন আসা-যাওয়া করেন, তার সঙ্গে কে কে থাকে সবকিছুই পর্যবেক্ষণে ছিল তার।

তবে করোনা মহামারির কারণে তাদের পরিকল্পনা পিছিয়ে যায়, আর সলমান খানকে খুনের ষড়যন্ত্রে সফল হওয়ার আগেই চার সঙ্গীসহ পুলিশের কাছে গ্রেফতার হয়েছে ২৭ বছর বয়সী ওই আসামি।

ডিসিপি হেডকোয়ার্টার রাজেশ দুগ্গাল জানিয়েছেন, জানুয়ারি মাসে বান্দ্রায় সালমান খানের বাড়ির পাশে দুই দিন অবস্থান করছিলেন রাহুল। লরেন্স বিষ্ণোই এবং এই চক্রের অন্য আরেক সদস্য সম্পাত নেহরার নির্দেশে এই কাজ করেছেন তিনি।

রাজেশ দুগ্গাল আরো জানান, এটিই প্রথম নয়, এর আগে ২০১৮ সালের জুন মাসে সম্পাত নেহরা সালমান খানকে হত্যার জন্য সালমানের বাড়ির সামনে নজর রেখেছিল। কিন্তু তাকেও পুলিশ গ্রেফতার করেছে।

বিষ্ণোই সম্প্রদায়ের অন্যতম সদস্য লরেন্স বিষ্ণোই। এই সম্প্রদায় কৃষ্ণসার হরিণ সংরক্ষণ করে। রাজস্থানের যোধপুরে দুটি কৃষ্ণসার হরিণ হত্যার অভিযোগ রয়েছে সালমান খানের বিরুদ্ধে। সে সূত্র ধরে বার বার ‘ভাইজান’কে হত্যার পরিকল্পনা করা হচ্ছে বলে ধারণা পুলিশের।

বর্তমানে লরেন্স বিষ্ণোই রাজস্থানের একটি জেলে বন্দি আছেন। সেখানে থেকেই তিনি হত্যার ছক কষছেন বলে অভিযোগ।

সংবাদটি শেয়ার করুন

© All rights reserved © 2024  Ekusharkantho.com
Technical Helped by Curlhost.com