বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:৪৪ অপরাহ্ন
নিজস্ব প্রতিবেদক:: সোমবার রাত ৮টা হতে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না সাবেক ছাত্রদল নেতাকে। বাড়ির কাছে নদীর পাড়ে রক্ত দেখে পরিবারের সন্দেহ তাঁকে হত্যা করে লাশ নদীতে ফেলে দেয়া হতে পারে। এরপর থেকে ডুবুরিদল কালিগঙ্গা নদীতে তল্লাশি অব্যাহত রেখেছে।
মঙ্গলবার সকালে নবাবগঞ্জের খতিয়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটেছে বলে পরিারের দাবি।
পারিবারিক ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ঢাকা জেলা ছাত্রদলের সাবেক সহসভাপতি জাহাঙ্গীর আলম(সেন্টু) সোমবার রাত ৮টায় নবাবগঞ্জের খতিয়া নিজ বাড়ি হতে বের হয়ে আর ফিরেনি। রাত ১২ টার দিকে তার পরিবার তাঁকে খুঁজাখুজি করে। এরপর হতেই সেন্টুর মুঠোফোন বন্ধ পাওয়া যায়। তাৎক্ষণিক নবাবগঞ্জ থানা পুলিশকে জানালে তাঁরা বিভিন্ন স্থানে তল্লাশি চালায়। মুঠোফোনের টাওয়ার নিষ্ক্রীয় দেখায়। পরে মঙ্গলবার সকালে বাড়ির কাছেই কালিগঙ্গা নদীর পারে রক্ত দেখে পরিবারের লোকজন সন্দেহ করে। সেন্টুকে কেউ হত্যা করে নদীতে ফেলে রাখতে পারে। পরে ঢাকার ডুবুরি দলকে সংবাদ দিয়ে তল্লাশি চালায়। আজ বিকেল সাড়ে চারটা পর্যন্ত তার কোনো হদিস মিলেনি। ডুবুরি দলের তল্লাশি অব্যাহত আছে। এদিকে নদীর পারে রক্তমাখা স্থানটি পুলিশ ঘেরাও করে রেখেছে।

নিখোঁজ ছাত্রদল নেতার ভাই বিপ্লব হোসেন বলেন, তাঁর ভাইকে কেউ হয়তো হত্যা করে লাশ গুম করার চেষ্টা করেছে। তাঁদের সন্দেহ মোতাবেক নবাবগঞ্জ থানা পুলিশ ওই এলাকা থেকে দুইজনকে আটক করেছে। এ ঘটনার পর হতে এলাকায় আতংক বিরাজ করছে।
নবাবগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবু হানিফ বলেন, পুলিশের একাধিক টিম মাঠে কাজ করছে। তবে এখনো নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না নিখোঁজ নাকি হত্যা। তবে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য দুজনকে আটক করা হয়েছে। তদন্তের স্বার্থে আটকদের নাম আপাতত বলা যাবে না। তবে শীঘ্রই ঘটনার মোটিভ উদঘাটন হবে বলে জানান তিনি।