শনিবার, ২১ মার্চ ২০২৬, ০৯:১২ পূর্বাহ্ন
ভোট চাইতে চলন্ত বাসে ধানের শীষের প্রার্থী খন্দকার আবু আশফাক। নিজস্ব প্রতিবেদক:: শীতের সকাল ৯টা বাজে। বাজারের দোকানী ও ক্রেতাদের সাথে দেখা করে ভোট চাইলেন। সবার হাতে তাঁর প্রতীকের লিফলেটও তুলে দিলেন। সাথে ঘুরছে বেশ কিছু কর্মী সমর্থক। হঠাৎ ঢাকাগামী চলন্ত বাসে উঠে পড়লেন প্রার্থী নিজেই। চালকও বাসটি কিছুটা থামিয়ে দিলেন। কর্মীরা কিছুটা হকচকিয়ে উঠলেন। পরে বুঝলেন তিনি যাত্রীদের কাছে ভোট চাইতে ও কুশল বিনিময় করতে বাসে উঠেছেন।
মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারী) সকালে ঢাকার দোহারে ধানের শীষের প্রার্থী জেলা বিএনপির সভাপতি খন্দকার আবু আশফাককে এমন ভঙ্গিতে প্রচারণা করতে দেখা যায়।
সকাল থেকে রাত গভীর অবধি এভাবেই চলছে ঢাকা-১ আসনে ধানের শীষের প্রার্থীর প্রচারণা। পথসভা, গণসংযোগ, উঠান বৈঠক ও সাধারণ ভোটারের দ্বারে দ্বারে নিজেই ছুটে চলেছেন প্রার্থী। দলীয় কর্মী সমর্থকরা যেন তাঁকে অনুসরণ করে পিছু হাটছে।
এ বিষয়ে ঢাকা জেলা যুবদলের জেষ্ঠ্য সহসভাপতি আবুল হাশেম বেপারী বলেন, ধানের শীষের প্রার্থী আবু আশফাকের ভোট চাওয়ার কৌশল ও গতির সাথে যেন আমরা হাঁপিয়ে উঠছি। তিনি ভোর থেকে রাত ১২টা-১টা পর্যন্ত একটানা পরিশ্রম করে চলেছেন। কখনো একাই ছুটে চলেন জনতার দ্বারে। তার মিষ্টি হাসি আর কাছে যেন ভোটার ও সমর্থকরা উৎফুল্ল ও উৎসাহিত হন। আমরা তরুণরা তার থেকে পিছিয়ে আছি।
সকাল ১০টায় কুসুমহাটির কার্তিকপুর বাজারে এক পথসভায় ধানের শীষের পক্ষে ভোট চান খন্দকার আবু আশফাক। তিনি বলেন, জনপ্রতিনিধি মানে জনতার গোলাম। আমি আপনাদের গোলাম হয়ে সেবা করতে চাই। রাজধাণীর কাছের দোহার নবাবগঞ্জকে উন্নয়নের মহাসড়কে নিতে কাজ করবো। বিগত দিনে অনেকেই এমপি মন্ত্রী হয়েছেন। কিন্তু জনতার পাশে থেকে কেউ কাজ করেননি। আমি এই মাটির সন্তান, গ্রামেই আমার জন্ম, মেঠোপথের এই মানুষই হোক আমার জীবনের আপনজন। আমি শুধু ভোট চাইতেই আসিনি। বিগত ২৫ বছর লড়াই সংগ্রামে আপনাদের পাশেই ছিলাম। পালিয়ে বিদেশ যাইনি। জেল জুলুম সব মেনে নিয়েই ছিলাম। আজ হয়তো নির্বাচনের সময় অনেক অতিথি পাখি এসে ভোট চাইছে। আমরা কোনো পন্থী নই। আমরা বাংলাদেশ পন্থী। অনেকেই ভারত বা পাকিস্থানপন্থী। দেশটাকে ভাগ করতে চাই না। দেশকে ভালবেসে ধানের শীষে ভোট চাই।
তিনি আরো বলেন, বিএনপি জিতলে দেশ হাসবে। আর অন্যরা জিতলে জাতি কাঁদবে। হারাবে তাঁর গৌরবে ভাষা আন্দোলন ও ৭১ সালের চেতনার ইতিহাস। তাই সকলের কাছে দোয়া ও ধানের শীষে ভোট চাই।