বুধবার, ২২ Jul ২০২৬, ০৯:২৫ অপরাহ্ন
নিজস্ব প্রতিবেদক:: মহান ভাষা আন্দোলনের ৭৪ বছর পার হলেও এখনো জামায়াত ইসলামী নামের একটি গোষ্ঠি ভাষা শহীদ ও মুক্তিযুদ্ধকে মেনে নিতে পারেনি। তারা এসব দিবস আসলে নানা ফতুয়া দিয়ে জনগণকে বিভ্রান্তি করছে বলে মন্তব্য করেন ঢাকা-১ আসনের সংসদ সদস্য খন্দকার আবু আশফাক।
বুধবার বিকেল ৪টায় ঢাকার দোহার উপজেলা কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের ভিত্তিপ্রস্তুরকালে তিনি এ কথা বলেন।
দোহার উপজেলা রতন চত্বরের পূর্বপাশে ভাষা আন্দোলনের ৭৪ বছর পর নির্মিত হচ্ছে দোহার কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার। গত সংসদ নির্বাচনে দোহারের মানুষকে দেয়া নিবার্চনী ওয়াদা পূরণে বিএনপির ঢাকা জেলা সভাপতি খন্দকার আবু আশফাক এমপি স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের অর্থায়নে এ শহীদ মিনার নির্মানের উদ্যোগ নেন বলে জানান তিনি।
এসময় সংসদ সদস্য আবু আশফাক বলেন, বাঙ্গালীর অস্তিত্ব ও ভীত হলো ভাষা আন্দোলন এবং স্বাধীনতা দিবস। যার মধ্য দিয়ে এদেশকে পৃথিবীর মানুষ চিনে ও জানে। সেই অস্তিত্বকে মুছে ফেলতে চেষ্টা করছে একটি গোষ্ঠি। তারা বাংলাদেশ নামক রাষ্ট্রের নাম নিশানা নিশ্চিহ্ন করতে মরিয়া হয়ে উঠেছে। তারা এদেশের উন্নয়ন চায় না। নারীর স্বাধীনতা চায় না। দেশের উন্নয়ন কাজে সংসদে ও তার বাইরে শুধুই বিরোধীতা করে চলছে।
তিনি আরো বলেন, দেশের আইনশৃংখলা অবনতি করতে এই গোষ্ঠি উঠেপড়ে লেগেছে। তারা কঠিন চক্রান্তে মেতে উঠেছে। অপপ্রচার চালাতে ফেইক আইডি ব্যবহার করে সাধারণ মানুষ থেকে শুরু করে রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিকে ঘায়েল করছে। অথচ নিজের দলের লোক আকাম কুকাম করলে অপব্যাখ্যা দিয়ে অপরাধকে আড়াল করছে। এদের থেকে সবাইকে সাবধান থাকতে হবে। তাদের যে কোনো দেশবিরোধী ষড়যন্ত্র মোকাবেলা করতে বিএনপিসহ দেশবাসীকে সোচ্চার হতে হবে।

এসময় উপস্থিত ছিলেন দোহার উপজেলা নিবার্হী কর্মকর্তা মাইদুল ইসলাম, সহকারি কমিশনার(ভূমি) তাসফিক সিগবাত উল্লাহ, প্রকৌশলী রাজু আলম, ওসি আবু বকর সিদ্দিক, বিএনপির দোহার পৌর সভাপতি এসএম কুদ্দুস প্রমুখ।
এদিকে দুপুরে নবাবগঞ্জ উপজেলায় মুক্তিযোদ্ধা চত্বরে ভিক্ষুক পুর্নবাসন উপলক্ষে ১০ জন পেশাদার ভিক্ষুককে দোকান নির্মানের জন্য ৫০ হাজার করে টাকা বরাদ্ধ দেয়া হয়। এ খাতে আরো ৫০ জনের অধিক ভিক্ষুককে পুর্নবাসনের বরাদ্ধ রেখেছে উপজেলা সমাজসেবা অধিদপ্তর। আগ্রহীরা এলে ব্যবস্থা নেয়া হবে জানান উপজেলা প্রশাসন। এছাড়া নয়নশ্রী ইউনিয়নের বাংলা বাজার সেতুকে জনগণের চলাচলের জন্য উদ্বোধন করেন খন্দকার আবু আশফাক এমপি।
এছাড়া একই দিনে বক্সনগর চৌরাহাটি দিঘীরপাড় এবং গোহাটি থেকে বানাঘাটা রাস্তার কাজের উদ্বোধন করেন। এসময় উপস্থিত ছিলেন নবাবগঞ্জ উপজেলা নিবার্হী কর্মকর্তা দিলরুবা ইসলাম, সহকারি কমিশনার(ভূমি) আসিফ রহমান, প্রকৌশলী নাজমুল করিম, নবাবগঞ্জ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক চিকিৎসক সামসুল ইসলাম খান, ওসি আবু হানিফসহ উপজেলা বিএনপির বিভিন্ন স্তরের নেতৃবৃন্দ।