বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬, ০২:১৫ অপরাহ্ন

না.গঞ্জে ৭দিন ধরে নিখোঁজ কিশোরিকে উদ্ধারে ব্যর্থ পুলিশ

মো. আবদুল্লাহ আল মামুন, নারায়ণগঞ্জ থেকে॥ নারায়ণগঞ্জে ৭দিন ধরে নিখোঁজ ৮ম শ্রেনীর ছাত্রী মিম আক্তার (১৩)কে উদ্ধারে ব্যর্থতার পরিচয় দিয়েছেন ফতুল্লা থানা পুলিশ এমন অভিযোগ পরিবারের।

গত শুক্রবার (১৩ এপ্রিল) ফতুল্লা থানাধীন গলাচিপা এলাকা থেকে কোচিংয়ের উদ্দেশ্যে বের হয়ে আর বাড়ি ফিরেনি ওই ছাত্রী। নিখোঁজের ঘটনায় পরদিন ফতুল্লা মডেল থানায় একটি সাধারন ডায়েরী করেন মা আসমা বেগম। সাধারন ডায়েরী নং-৭৪৯, তারিখ-১৪-০৪-১৮ইং।

জানা গেছে, গত শুক্রবার শহরের গলাচিপা থেকে কোচিংয়ের কথা বলে বেরিয়ে যায় ৮ম শ্রেনীর ছাত্রী মিম আক্তার। আত্মীয়স্বজনসহ প্রতিবেশীর বাড়িতে খোজাখুজির পর না পেয়ে পরিবারের লোকজন দারস্থ হন ফতুল্লা পুলিশের কাছে। দেখা করেন ওসি মঞ্জুর কাদেরের সাথে। তিনি ঘটনাটি তদন্ত করার দায়ীত্ব দেন সিভিল টিমের উপ-পরিদর্শক (এসআই) সাফিইল আলমকে। কিন্তু ওই দারোগার সাথে একাধীকবার যোগাযোগ করলে তিনি আসবে বলে তালবাহানা করেন। এতে পরিবারের লোকজন মেয়েকে উদ্ধারের জন্য পুলিশের কাছে গিয়ে কোন সহযোগীতা না পেয়ে ভেঙ্গে পরেছেন।

নিখোঁজ মিম আক্তারের বড় ভাই রাসেদ জানায়, কোচিংয়ের কথা বলে পহেলা বৈশাখের আগের দিন দুপুরে আমার বোন মিম বাসা থেকে বেরিয়ে যায়। সন্ধার পরেও বাসায় না ফিরাতে আমরা সকল আত্মীয়-স্বজনদের বাসায় খোজাখুজি করি। সেখানেও তাকে না পেয়ে আমার মা নিখোঁজের পরের দিন (১৪ এপ্রিল) ফতুল্লা মডেল থানায় জিডি করেন। কিন্তু জিডি করার ৬ দিন পেরিয়ে গেলেও দারোগা সাফিউল আমাদের কথার কোন গুরুত্ব দেয়নি। বরং আসবে আসবে বলে আমাদেরকে মিথ্যা আশ্বাস দিয়েছে। জানিনা আমার বোন কোথায় এবং কেমন আছে। আমি আমার বোনকে সুস্থ্য শরীরে ফেরত চাই।

এ বিষয়ে ফতুল্লা মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মঞ্জুর কাদের জানান, বিষয়টি তদন্তের দায়ীত্ব দেয়া হয়েছিল এসআই সাফিউল আলমকে। যেহেতু দারোগা ঘটনাস্থলে যায়নি তাহলে অন্য দারোগাকে দায়ীত্ব দেয়া হবে এবং আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

© All rights reserved © 2024  Ekusharkantho.com
Technical Helped by Curlhost.com