শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:১১ অপরাহ্ন
নিজস্ব প্রতিবেদক ঃ ভুটানের নারী ফুটবল লিগে পারো এফসিকে চ্যাম্পিয়ন করে দেশে ফিরেছেন বাংলাদেশের দুই অভিজ্ঞ ফুটবলার সাবিনা খাতুন ও মাসুরা পারভীন। লিগের শেষ চার ম্যাচে দলটির হয়ে খেলেছেন বাংলাদেশ নারী ফুটবল দলের সাবেক অধিনায়ক সাবিনা ও জাতীয় দলের ডিফেন্ডার মাসুরা। তাঁদের অংশগ্রহণে পারো এফসির শিরোপা জয়ের আনন্দ নিয়ে দেশে ফিরেছেন দুজন।
বাংলাদেশের ফুটসাল লিগ ও ভুটানের নারী ফুটবল লিগ একই সময়ে চলায় পুরো মৌসুমে খেলতে পারেননি সাবিনা-মাসুরা। দেশের ফুটসাল লিগ শেষ হওয়ার পর ভুটানে যান তাঁরা। এরপর পারো এফসির হয়ে লিগের শেষ চার ম্যাচে মাঠে নামেন দুজন। চারটি ম্যাচেই পুরো সময় খেলেছেন তাঁরা। এর মধ্যে একটি গোলও করেছেন সাবিনা।
ভুটানের লিগে খেলার অভিজ্ঞতা নিয়ে সন্তুষ্ট সাবিনা। তাঁর মতে, গতবারের তুলনায় এবার প্রতিযোগিতার মান ও প্রতিদ্বন্দ্বিতা বেড়েছে। বিদেশি খেলোয়াড়দের অংশগ্রহণও লিগকে আরও প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ করেছে।
সাবিনা বলেন, ‘এক দলে আটজন বিদেশি রেজিস্ট্রেশনের সুযোগ ছিল। ঘানা, জাপান, আমেরিকার অনেকে এবার ভুটান লিগ খেলেছে। মান ও প্রতিদ্বন্দ্বিতা গতবারের চেয়ে অবশ্যই বেশি।’
ভুটানের শীর্ষ ক্লাবগুলোর মধ্যে পারো এফসি, রয়্যাল থিম্পু ও ট্রান্সপোর্ট ইউনাইটেড উল্লেখযোগ্য। লিগের শেষ দিকে গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচগুলোতে খেলেছেন সাবিনা ও মাসুরা। তাঁদের দল পারো এফসি চ্যাম্পিয়ন হওয়ায় আগামী বছর এএফসি নারী চ্যাম্পিয়ন্স লিগে খেলার সুযোগ পাবে। এর আগে রয়্যাল থিম্পুর হয়ে বাংলাদেশের একাধিক নারী ফুটবলার মহাদেশীয় এই প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়েছেন।
দেশের বাইরের ফুটবলে সাবিনা-মাসুরার সাফল্যের পাশাপাশি দেশের ফুটসাল লিগেও শিরোপা জিতেছেন সাবিনারা। তবে ক্লাব পর্যায়ে ধারাবাহিক সাফল্য পেলেও জাতীয় দলের ব্রিটিশ কোচ পিটার বাটলারের কাছ থেকে ডাক পাচ্ছেন না তাঁরা। এ বিষয়ে ক্ষোভ ও বিরক্তি প্রকাশ করেছেন সাবিনা।
জাতীয় দলে ফেরার প্রসঙ্গে মন্তব্য করতে গিয়ে তিনি বলেন, ‘এ নিয়ে কথা বলতে চাই না। তিনি যা ভালো মনে করেন, করেই যাচ্ছেন।’ পারো এফসিকে চ্যাম্পিয়ন করার মধ্য দিয়ে দেশের বাইরে নিজেদের সামর্থ্যের প্রমাণ দিয়েছেন সাবিনা ও মাসুরা। এখন দেখার বিষয়, ক্লাব পর্যায়ের এই সাফল্য তাঁদের জাতীয় দলে ফেরার পথ খুলে দেয় কি না।