শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬, ০২:৩৭ অপরাহ্ন
নিজস্ব প্রতিবেদক:: অবৈধভাবে বালু লুটকারীদের বিরুদ্ধে রাতভর অভিযান পরিচালনা করেছে দোহার উপজেলা প্রশাসন। বুধবার রাত ১১ টা থেকে আজ ভোর ৫টা পযর্ন্ত এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। এসময় বালু লুটের সাথে জড়িত থাকার অভিযোগে ২৩ জনকে আটক করেছে পুলিশ।
পরে আজ বেলা ১১ টায় তাদেরকে ভ্রাম্যমান আদালতের মাধ্যমে প্রত্যেককে ৭দিন করে সাজা প্রদান করা হয়। দোহার উপজেলা সহকারি কমিশনার (ভূমি) তাসফিক সিগবাত উল্লাহ এ আদালত পরিচালনা করেন।
দোহার উপজেলার পদ্মায় ড্রেজার দিয়ে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন বন্ধে এ অভিযান করা হয় বলে জানা গেছে।
উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানায়, ঢাকার দোহারের পদ্মা নদী থেকে রাতের আধারে চুরি করে বালু তোলার বিষয়ে সম্প্রতি আইনশৃংখলা সভায় স্থানীয় এমপি কঠোর নির্দেশনা দেন। তিনি সবাইকে গ্রেপ্তার করতে বলেন। কিন্তু স্থানীয় পুলিশের সাথে যোগসাজশে এসব বালু লুটেরা চক্রটি বেপরোয়া হয়ে কাজ করতে থাকে। তাঁদেরকে সতর্ক করা হলেও ফুলতলার সোহাগ, মোহাম্মদ শরীয়ত উল্লাহসহ কয়েকটি সিন্ডিকেট এ বালু চুরি বন্ধ করেনি।
বুধবার উপজেলা সহকারী (ভূমি) তাসফিক সিগবাত উল্লাহর নেতৃত্বে রাতে অভিযান পরিচালনা করা হয়। দোহার থানা পুলিশ, আনসার ও নৌপুলিশের সহযোগিতায় পদ্মা নদীর বিলাশপুর, রানীপুর ও নারিশা জোয়ার এলাকায় অভিযান চালায় উপজেলা প্রশাসন। এসময় পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে কয়েকটি ড্রেজার সেখান থেকে সটকে পড়ে।
পরে নারিশা ও মুকসুদপুর এলাকায় রাস্তার পাশে বালুর স্তপ সরিয়ে নেয়ার নির্দেশনা না মানায় ২৩ জনকে আটকসহ ব্যবসায়ীদের জরিমানা করা হয়। এসময় বালু সরিয়ে নিতে তিন দিনের আল্টিমেটাম দেয়া হয়। ভ্রাম্যমান আদালতে বালু ব্যবসায়ী সোহাগকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা ও ২২ জনকে ৭দিন করে সাজা দিয়ে জেলে প্রেরণ করা হয়।
জনস্বার্থে অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানান নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট তাসফিক সিগবাত উল্লাহ। তিনি বলেন, পদ্মা নদীর মাঝে গিয়ে রাতের আধাঁরে দুষ্টু চক্র অবৈধভাবে বালু তুলছে। এ বিষয়ে কোনো ছাড় দেয়ার সুযোগ নেই।