মঙ্গলবার, ১১ অগাস্ট ২০২৬, ০৬:৫৭ অপরাহ্ন
নাজনীন হাসান খান। ছবি: সংগৃহীত বিনোদন ডেস্ক:: জীবনের অলিগলি থেকে শুরু করে সংস্কৃতি অঙ্গনের বিভিন্ন মাধ্যমে নির্মাতা নাজনীন হাসান খানের বিচরণ রয়েছে। তিনি শুধু গৃহিণী কিংবা নির্মাতাই নন, সমাজের দায়বদ্ধতা, সংস্কৃতির বিভিন্ন শাখা-প্রশাখা, সবখানেই নিজ কর্মগুণে অবদান রেখে চলেছেন। সম্প্রতি একটি টিভি চ্যানেলের এনটিভির নিমন্ত্রণে’ নামে বিশেষ অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে উপস্থিত হন তিনি।
নির্মাতা হিসেবে নিজেকে তৈরি করার ব্যাপারটা কীভাবে ঘটল, উপস্থাপিকার এমন প্রশ্নের জবাবে নাজনীন হাসান খান বলেন, কিছু কাজের কারণে প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক ও নির্মাতা হুমায়ুন আহমেদ স্যারের সান্নিধ্যে থেকেই মূলত নাটক পরিচালনার বিষয়ে আগ্রহী হয়েছিলাম। বলতে পারেন হাতেখড়ি এবং অনুপ্রেরণাটা ওখান থেকেই।
ছোটবেলায় কী হতে চেয়েছিলেন- প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, পাঁচ বছর বয়স থেকেই গান গাইতাম এবং বাফা থেকে নজরুল সংগীতের ওপর সার্টিফিকেটধারী গায়িকা ছিলাম। তখন তো ইচ্ছা ছিল গায়িকা হবো (হাসি)। আর এখন হয়ে গেলাম নির্মাতা।
নির্মাণটা কীভাবে শুরু হলো? উত্তরে বলেন, নির্মাণের শুরু হয়েছিল লেখালেখি দিয়ে। ২০১০ সালেরও আগের ঘটনা, আমার রচিত নাটকটি নির্মাণ করেছিলেন রুমানা রশিদ ঈশিতা। ভাবনাটা ছিল এমন যে, অনেকেই তো করছে, আমি কেন পারব না। বিশেষ করে হুমায়ুন স্যারের কাজগুলো থেকেই আমি মোটিভেটেড হই। সমাজের প্রতিটি মানুষই একেকটা গল্প, একেকটা চরিত্র, সেখান থেকেই তো গল্প তৈরি হয়। এরপরই নাটক নির্মাণ শুরু করলাম।
নারীদের জন্য লিডারশিপটা কতটা কঠিন- প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, নারীদের জন্য অবশ্যই এই সেকশনটা চ্যালেঞ্জিং। কারণ, সকাল থেকে শুরু করে গভীর রাত পর্যন্ত কাজ করা অনেক কষ্টের। কেননা একজন মা-ও তো আমি, আমার তো সন্তান-সংসার এগুলো মেনটেইন করে কাজ করা লাগে। তবে, এক্ষেত্রে আমার স্বামীর যথেষ্ট উৎসাহ ও সহযোগিতা রয়েছে। যা আমাকে বেশি অনুপ্রাণিত করেছে।
অ্যাওয়ার্ড অর্জন কিংবা বিচারকের মতো গুরুদায়িত্ব পালন কীভাবে দেখছেন? এ বিষয়ে তিনি জানান, অ্যাওয়ার্ডের জন্য তো কেউ কাজ করে না, তবে কাজ ভালো হলে যখন পুরস্কারস্বরূপ প্রতিদান পাওয়া যায়, সেইটা কাজের প্রতি দরদকে আরও বেগবান করে। আর বিচারকের দায়িত্ব পালন করা তো অনেক কঠিন কাজ, তবে আমি এই মুহূর্তে এগুলোকে উপভোগ করছি। পরিশেষে তিনি পর্দার পেছনে যারা কাজ করেন, তাদের প্রতি বিশেষভাবে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন।