বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬, ১১:১৩ পূর্বাহ্ন

নানা অনিয়মের কারখানা যেন খানপুর হাসপাতাল!

নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি:
নারায়ণগঞ্জ খানপুর ৩০০ শয্যা হাসপাতাল যেন অনিয়মের কারখানায় পরিনত হয়েছে অভিযোগ সেবা নিতে আসা নিরীহ রোগীদের। দূর-দূরন্ত থেকে রোগীরা রোগমুক্তির জন্য এ হাসপাতালে আসলেও ফিরে যেতে হয় সেবা না নিয়েই।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, খানপুর ৩০০ শয্যা হাসপাতালের সব শাখায় রয়েছে অনিয়ম এমন তথ্যে’র প্রেক্ষীতে সেখানে ঘুরে পাওয়া গেল তার বাস্তব প্রমান। বিভাগ আছে কিন্তু চিকিৎসক নেই, এক বিভাগের ডাক্তার অন্য বিভাগে দায়ীত্ব পালন করছেন, রোগী না দেখে ঔষধ কোম্পানীর মার্কেটিং অফিসারের সাথে আলাপ করা, ডাক্তারদের কমিশন বানিজ্য, সেবা থেকে রোগীদের বঞ্চিত করা, পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য হাসপাতালে মেশিনারিজ থাকা সত্বেও বাইরে পাঠানো, সামান্য অসুস্থ্য রোগীদেরকেও ঢাকা মেডিক্যাল হাসপাতালে স্থানান্তর করা, দুপুর ২টার পর কোন রোগীকে ভর্তি না করা, সরকারি ঔষধ গরীব রোগীদের মাঝে সরবারাহ না করা, রোগীদের জন্য খাবার নিন্ম মানের এবং এ্যাম্বুলেন্স সেবা নিয়েও হয়রানী। এর সাথে বারতি মাত্রা যোগ হয়েছে দালালদের উৎপাত। সব মিলিয়ে নানা অনিয়মের কারনাখায় পরিনত হয়েছে নারায়ণগঞ্জে’র জেষ্ঠ্য এই হাসপাতালটি। জেলার ৫টি উপজেলা অর্থাৎ ৭টি থানা এলাকা থেকে রোগীরা চিকিৎসা সেবা না পেয়েই অনেক সময় ফিরে যেতে হয়। আর যাবার সময় ফিস-ফিস করে বলছেন এটা হাসপাতাল নাকি অনিয়ম ও দূর্নীতির কারখানা।
ভুক্তভোগী রোগীদের সাথে কথা বলে জনা যায়, খানপুর হাসপাতালে আসি রোগমুক্ত হতে কিন্তু এখানে আসলেও কোন সেবা পাওয়া যায়না। ডাক্তাররা ঠিকমত কথা না শুনে ধরিয়ে দেয়া হয় কতগুলো পরীক্ষার কাগজ। তাও আবার নিজে লিখে দেন কোথায় তা করাতে হবে। ভেতরে মেশিনারিজ থাকলেও তা নষ্ট বলে চালিয়ে দেন তারা। হাসপাতাল থেকে দেয়া হয় না কোন ঔষধপত্র। শুনেছি সরকার নাকি কোটি টাকা ব্যয় করছে গরীব ও অসহায় মানুষের চিকিৎসার জন্য। এখানে আসলেতো মনে হয় এটা বেসরকারী কোন হাসপাতাল। ভুক্তভোগীরা এসকল হয়রানী থেকে মুক্তি কামনা করেছেন এবং হাসাপতালের অভ্যন্তরে সুষ্ঠ পরিবেশ ফিরিয়ে আনার দাবী জানিয়েছেন।
খানপুর ৩০০ শয্যা হাসপতালের তত্বাবধায়ক আবদুল মোতালেব বলেন, জরুরী বিভাগের চিকিৎসক যদি মনে করেন তাকে অন্যত্র স্থানান্তর করা প্রয়েয়াজন তাহলে সেটা সে করতে পারেন। এছাড়াও ওই অভিযোগগুলোর বিষয়ে কেউ আমাকে জানায়নি। এরকম অনিয়মের অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা নেয়া হবে। তবে আমরা চেষ্টা করি সাধারন রোগীদের যথাযথ সেবা দিতে।

নিউজ-২/ছবি-০০২।

ফতুল্লায় জাল টাকা তৈরীর কারখানায় অভিযান
৪২ লাখ টাকার জাল নোট ও সরঞ্জামসহ আটক ২

নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি
নারায়ণগঞ্জে’র ফতুল্লায় জাল টাকা তৈরীর কারখানায় র‌্যাব-২ এর অভিযানে মামুন ইসলাম (২৫) ও কমল বেগম (৩৫)-কে আটক করা হয়েছে। এসময় তাদের কাছ থেকে বাংলাদেশী ৫০০ ও ১০০০ হাজার টাকার আকৃতির প্রায় ৪২ লাখ টাকার জাল নোটসহ জাল টাকা তৈরীর বিপুল সরঞ্জামও উদ্ধার করা হয়। মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ৭টায় ফতুল্লার দক্ষিন সস্তাপুর খান মঞ্জিল থেকে তাদেরকে আটক করা হয়।
র‌্যাপিড এ্যাকশান বেটালিয়ন (র‌্যাব-২) এর সহকারী পরিচালক শাহিদুল ইসলাম জানান, প্রতারকেরা জাল নোটগুলো ঢাকা ও এর আসে পাশের শহরের এলাকাগুলোতে সরবরাহ করতো। এ চক্রের অন্য সদস্যদের আটকের অভিযান অব্যাহত আছে। আটককৃতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রস্তুতি চলছে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

© All rights reserved © 2024  Ekusharkantho.com
Technical Helped by Curlhost.com