বৃহস্পতিবার, ২৬ মার্চ ২০২৬, ১১:৪৯ পূর্বাহ্ন
আদালত প্রতিবেদক:: সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির নির্বাচনের ভোট গণনার সময় মারামারির ঘটনায় তিন সহকারী অ্যার্টনি জেনারেলকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।
সোমবার (১১ মার্চ) রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে আইন মন্ত্রণালয়ের সলিসিটর রুনা নাহিদ আকতারের সই করা বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের অ্যাডভোকেট মো. জাকির হোসেন, অ্যাডভোকেট কাজী বশির আহমেদ ও অ্যাডভোকেট শ্যামা আক্তার-এর সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল হিসেবে অত্র মন্ত্রণালয়ের বিগত ১২/০৬/২০১৭ তারিখের ০৯/সলিসিটর/২০০৯-৪৬ নং, ১৯/১০/২০১৭ তারিখের ০৯/সলিসিটর /২০০৯-৮৬ নং ও ০৭/০৭/২০১৯ তারিখের ০৯/সলিসিটর/২০০৯-৬৩ নং স্মারকে প্রদত্ত নিয়োগ আদেশ বাতিলক্রমে তাদেরকে সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল পদ হতে অব্যাহতি প্রদান করা হলো।
এ আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে বলেও বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে।
জানা গেছে, গত ৬-৭ মার্চ ভোটগ্রহণ শেষে ৭ মার্চ রাত থেকে ভোট গণনা শুরু হওয়ার কথা ছিলো। কিন্তু সম্পাদক পদের স্বতন্ত্র প্রার্থী অ্যাডভোকেট নাহিদ সুলতানা যুথীর সমর্থকদের সঙ্গে নির্বাচন পরিচারনা উপ-কমিটির সদস্যদের মারধর-হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। পরে এ ঘটনায় রাজধানীর শাহবাগ থানায় মামলা হয়। মামলায় স্বতন্ত্র থেকে সম্পাদক প্রার্থী অ্যাডভোাকেট নাহিদ সুলতানা যুথী, বিএনপি প্যানেলের সম্পাদক প্রার্থী ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজলসহ ২০ জনকে আসামি করা হয়। অ্যাডভোকেট নাহিদ সুলতানা যুথি যুবলীগ চেয়ারম্যান শেখ ফজলে শামস পরশের স্ত্রী।
গত ৮ মার্চ (শুক্রবার) রাতে মারামারিতে আহত সহকারি অ্যাটর্নি জেনারেল সাইফুর রহমান চৌধুরী সাইফ তাকে হত্যাচেষ্টার অভিযোগে বাদী হয়ে এ মামলা দায়ের করেন। মামলা দায়েরের পর রাতেই বিএনপির ব্যারিস্টার ওসমান চৌধুরীসহ মোট পাঁচ আইনজীবী গ্রেফতার করেছে পুলিশ। পরে গ্রফতার করা হয় ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজলকে।
প্রসঙ্গত, জ্যেষ্ঠ আইনজীবী অ্যাডভোকেট আবুল খায়েরের নেতৃত্বে সাত সদস্যের কমিটি নির্বাচন পরিচালনার দায়িত্বে রয়েছেন। নির্বাচন পরিচালনায় উপ-কমিটিকে সহযোগিতা করছেন ১৫০ জন আইনজীবী।
নির্বাচন পরিচালনা কমিটির অন্যতম সদস্য অ্যাডভোকেট মো. ইকবাল করিম ও ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল আসাদুজ্জামান মনির।