সোমবার, ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৮:০৫ পূর্বাহ্ন

শিরোনামঃ
দীর্ঘ ১৮ মাস পর আপন আঙিনায় ড. ইউনূস: সহকর্মীদের উষ্ণ অভ্যর্থনা ব্যক্তির চেয়ে দল বড়, আবার দলের চেয়ে দেশ বড়: সাচিংপ্রু জেরী নড়াইলে পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম উদ্বোধন করলেন এমপি আতাউর ভোক্তা অধিকারের বাজার তদারকিতে ব্যবসায়ীর বাধাদানের প্রতিবাদে চট্টগ্রামে ক্যাব এর প্রতিবাদ মিছিল দক্ষিণ এশিয়ায় তৃতীয় পক্ষের হস্তক্ষেপ চায় না চীন: রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন পহেলা বৈশাখের আগেই বগুড়া ও শেরপুরের উপ-নির্বাচন সম্পন্ন করতে চায় ইসি সিটি নির্বাচনে দলীয় প্রতীক থাকবে কি না, সিদ্ধান্ত এখন সংসদের হাতে: ইসি ১২ মার্চ বসছে নতুন সংসদের প্রথম অধিবেশন: স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকার নির্বাচন সেদিনই

শেরপুরে বিএনপি-জামায়াতের সংঘর্ষে আহত জামায়াত নেতার মৃত্যু

নিহত জামায়াতের সেক্রেটারি মাওলানা রেজাউল করিম।

শেরপুর প্রতিবেদক:: শেরপুর-৩ আসনে ইশতেহার পাঠের অনুষ্ঠানে চেয়ারে বসাকে কেন্দ্র করে বিএনপি-জামায়াতের সংঘর্ষে গুরুতর আহত শ্রীবরদী উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি মাওলানা রেজাউল করিমকে (৪২) ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পথে মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।

বুধবার (২৮ জানুয়ারি) রাত ১০টার দিকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পথে মারা যান রেজাউল করিম।

ঝিনাইগাতী ও শ্রীবরদী উপজেলা নিয়ে গঠিত শেরপুর-৩ আসন। এখানকার জামায়াতের সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল এই তথ্য দিয়েছেন।

শ্রীবরদী উপজেলার গড়জরিপা ইউনিয়নের চাউলিয়া এলাকার মাওলানা আব্দুল আজিজের ছেলে রেজাউল করিম। তিনি উপজেলার ফতেহপুর ফাজিল মাদ্রাসার আরবির প্রভাষক ছিলেন।

জামায়াতের প্রার্থী নূরুজ্জামান বাদল সাংবাদিকদের বলেন, আমার প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর সমর্থকেরা পূর্বপরিকল্পিতভাবে হামলা চালায়। তাকে দ্রুত উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ও পরে জেলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে অবস্থার অবনতি হওয়ায় তাকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পথে তিনি মারা যান। এ ঘটনার সুষ্ঠু বিচার দাবি করছি। যদি আমরা বিচার না পাই, তাহলে কঠোর আন্দোলন গড়ে তোলা হবে।

একই দিন ঝিনাইগাতী উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে নির্বাচনি ইশতেহার পাঠের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে বিভিন্ন দলের প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীরা মঞ্চে বসেন। কিন্তু স্থানীয় বিএনপি ও জামায়াতের কয়েকজন কর্মী-সমর্থক চেয়ার বসতে না পেরে হট্টগোল শুরু করেন। এক পর্যায়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়লে উভয়পক্ষের অন্তত ৩০ জন আহত হন। আশপাশের লোকজন আহতদের উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও জেলা সদর হাসপাতালে নিয়ে যায়।

শেরপুর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মিজানুর রহমান ভূঁঞা বলেন, মৃত্যুর কথা শুনেছি। পরবর্তী আইনানুগ প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। দ্রুত অপরাধীদের গ্রেপ্তার করা হবে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

© All rights reserved © 2024  Ekusharkantho.com
Technical Helped by Curlhost.com