রবিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৬, ০৫:০১ অপরাহ্ন

শিরোনামঃ
প্রতিটি উপজেলায় হবে বয়স্ক পুনর্বাসন কমপ্লেক্স: স্বাস্থ্য উপদেষ্টা ২ সেপ্টেম্বর দেশে ফিরছেন মির্জা আব্বাস মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী-হুইপদের জেলাভিত্তিক দায়িত্ব বণ্টনের সিদ্ধান্তের বৈধতা নিয়ে হাইকোর্টে রিট স্বাধীন বাংলাদেশে আর কোনো আয়নাঘর থাকবে না: রাষ্ট্রপতি নেপালে ভয়াবহ বন্যায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৭৩৪, নিখোঁজ ২,৪৯৮ নড়াইলে স্বামীকে শ্বাসরোধে হত্যার অভিযোগ, স্ত্রী ও বেয়াই গ্রেফতার নড়াইলে শেষ হলো সুলতান উৎসব, ‘আলোকচিত্র প্রদর্শনী’ ও চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের সম্মাননা স্মারক প্রদান লালমনিরহাটে রত্নাই সড়ক সেতুর উদ্বোধন করলেন ত্রাণমন্ত্রী দুলু, যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নে নতুন দিগন্ত উন্মোচন

মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী-হুইপদের জেলাভিত্তিক দায়িত্ব বণ্টনের সিদ্ধান্তের বৈধতা নিয়ে হাইকোর্টে রিট

ফাইল ছবি

একুশের কণ্ঠ প্রতিবেদন:: মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী-হুইপদের জেলাভিত্তিক দায়িত্ব বণ্টনের সিদ্ধান্তের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট আবেদন করা হয়েছে।

রোববার (৩০ আগস্ট) হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় এ রিট আবেদন দাখিল করেন জাতীয় সংসদের ১১ জন সংসদ সদস্য। রিট আবেদনে মন্ত্রিপরিষদ সচিবকে বিবাদী করা হয়েছে।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন আবেদনকারী সংসদ সদস্যদের আইনজীবী শিশির মনির।

রিট আবেদনকারী সংসদ সদস্যরা হলেন- ব্যারিস্টার মোহাম্মদ নাজিবুর রহমান, ব্যারিস্টার মীর আহমেদ বিন কাসেম, মো. গোলাম রব্বানী, নুরুল ইসলাম, মাসুদ পারভেজ, আজিজুর রহমান, শেখ মনজুরুল হক, মো. শফিকুল ইসলাম, মো. রাশেদুল ইসলাম রাশেদ, সালাউদ্দিন ও মো. জহিরুল ইসলাম।

রিটকারীদের আইনজীবী মোহাম্মদ শিশির মনির জানান, ২০০১ সালে একইরকমভাবে জেলাভিত্তিক দায়িত্ব বণ্টন করা হয়েছিল। তখন এই সিদ্ধান্ত চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট আবেদন দায়ের করা হয়। সে সময় হাইকোর্ট দায়িত্ব বণ্টন সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত অসাংবিধানিক ঘোষণা করেন। রুলস অব বিজনেস, সংবিধান ও উচ্চ আদালতের রায় অনুযায়ী এই ধরনের সিদ্ধান্ত আইনগত কর্তৃত্ব বহির্ভূত এবং বেআইনি বলে জানান শিশির মনির।

গত ২৭ আগস্ট সরকারের মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ এক প্রজ্ঞাপনে, দেশের ৬৪ জেলার দায়িত্ব ৩০ জন মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও জাতীয় সংসদের হুইপের মধ্যে ভাগ করে দেয়।

প্রজ্ঞাপনে আরো বলা হয়, বিগত ফ্যাসিস্ট সরকারের আমলে বিভিন্ন জেলায় উন্নয়নের বরাদ্দ কলমে থাকলেও ব্যাপক দুর্নীতির মাধ্যমে লুটপাট করা হয়েছে। লুট করা অর্থের একাংশ বিদেশে পাচার এবং অন্য অংশ মাদকসহ সামাজিক অবক্ষয়, জননিরাপত্তা ও রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তার জন্য ক্ষতিকর কাজে ব্যবহৃত হয়েছে। এ অবস্থায় জেলা পর্যায়ে আইনশৃঙ্খলা, দুর্নীতি ও মাদক নিয়ন্ত্রণ এবং সুশাসন নিশ্চিত করতে সমন্বয় ও তদারকির এ দায়িত্ব দেওয়া হল।

সংবাদটি শেয়ার করুন

© All rights reserved © 2024  Ekusharkantho.com
Technical Helped by Curlhost.com