শনিবার, ০৩ জানুয়ারী ২০২৬, ০৩:৩১ পূর্বাহ্ন
বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দল। ছবি- সংগৃহীত স্পোর্টস রিপোর্টাস:: ২০২৬ সালে নতুন বছরের প্রায় পুরোটা জুড়েই রয়েছে ক্রিকেট মাঠে ব্যস্ত সূচি। বছরজুড়েই ব্যাট-বল হাতে ব্যস্ত সময় কাটাবে টাইগাররা। বিপিএল দিয়ে যার শুরু, থাকছে দ্বিপক্ষীয় সিরিজের আধিপত্য। মাঝে ভারত ও শ্রীলঙ্কায় গড়াবে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপও।
বিদায়ী বছরে শুরু হওয়া বিপিএল চলবে আগামী ২৩ জানুয়ারি পর্যন্ত। বিপিএল কাটিয়ে বছরের বাকি সময়ে ৪০টিরও বেশি আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলবে টাইগাররা। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ম্যাচ সংখ্যা যোগ হলে যা আরো বাড়বে অনায়াসেই।
পরিকল্পনা অনুযায়ী ২০২৬ সালে অন্তত ৮টি টেস্ট, ২০টি ওয়ানডে ও ১২টি টি-টোয়েন্টি ম্যাচ আছে বাংলাদেশের। সামনে ২০২৭ ওয়ানডে বিশ্বকাপ থাকায় মাঝে ওয়ানডে ম্যাচের সংখ্যা আরো বাড়ার সম্ভাবনাও উঁকি দিচ্ছে।
সবমিলিয়ে ২০২৬ সাল যেন টাইগারদের জন্য যেন নিরবচ্ছিন্ন পরীক্ষার দীর্ঘ এক অধ্যায়। ক্যালেন্ডারের পাতা উল্টালেই একের পর এক সিরিজ অপেক্ষায় টাইগারদের। যার শুরু টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ দিয়ে।
যদিও বৈশ্বিক এই মহারণে বাংলাদেশের পথ কতটা দীর্ঘ হবে, তা সময়ই বলবে। তবে যাত্রা যেখানেই থামুক না কেন, বিশ্বমঞ্চের পরও দম ফেলার ফুরসৎ নেই টাইগারদের। বিশ্বকাপের পরপরই দ্বিপাক্ষিক সিরিজের প্রস্তুতি শুরু হয়ে যাবে।
আগামী মার্চ-এপ্রিলে পূর্ণাঙ্গ সিরিজ খেলতে বাংলাদেশে আসার কথা পাকিস্তান দলের। এ সফরটিতে বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের অন্তর্ভুক্ত দু’টি টেস্টের পাশাপাশি সমান তিনটি করে ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টি ম্যাচ খেলবে তারা।
তবে পিএসএলের সাথে সময়সূচির সঙ্ঘাতে এ সফর নিয়ে অনিশ্চয়তা জেগেছে। শেষমেশ পাকিস্তান না এলে বিকল্প পরিকল্পনাও সাজাতে পারে টিম ম্যানেজমেন্ট।
এপ্রিলে আসবে নিউজিল্যান্ড। ব্ল্যাক ক্যাপসদের বিপক্ষে তিনটি করে ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টি খেলবে বাংলাদেশ। তবে মে মাসে সূচি একদমই ফাঁকা। এ সময়ে চাইলেই দ্বিপক্ষীয় সিরিজ আয়োজন করতে পারবে বিসিবি।
২০২৭ ওয়ানডে বিশ্বকাপের প্রস্তুতি বিবেচনায় এমন উদ্যোগের সম্ভাবনাও একেবারে উড়িয়ে দেয়া যায় না। জুনে অপেক্ষা করছে বহুল প্রতীক্ষিত অস্ট্রেলিয়া সিরিজ।
২০২১ সালের পর ফের সাদা বলের ক্রিকেট খেলতে বাংলাদেশে আসবে অজিরা। সমান তিনটি করে ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টি খেলবে দল দুটি। এই সিরিজ শেষেই জিম্বাবুয়ের উদ্দেশ্যে উড়াল দেবে বাংলাদেশ।
সেখানে দু’টি টেস্ট ও পাঁচটি ওয়ানডে খেলবে ফিল সিমন্সের দল। এরপর আগস্টে আয়ারল্যান্ড সফরে যাবে বাংলাদেশ। যেখানে তিনটি ওয়ানডে ও তিনটি টি-টোয়েন্টি খেলবে লাল-সবুজেরা।
এরপর অক্টোবরে ঘরের মাঠে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে দু’টি টেস্ট ম্যাচ খেলবে বাংলাদেশ। আর নভেম্বরে বছরের শেষ দ্বিপক্ষীয় সিরিজ খেলতে দক্ষিণ আফ্রিকায় যাবে টাইগাররা। সেখানে দু’টি টেস্ট ও তিনটি ওয়ানডে মাঠে গড়াবে।
সব মিলিয়ে বেশ ব্যস্ত সময় অপেক্ষা করছে টাইগারদের। এখন দেখার বিষয় এসব ব্যস্ততা সামলে কতটা সাফল্য আনতে পারেন লিটন-তাসকিনরা।