শনিবার, ০৭ মার্চ ২০২৬, ১১:১৫ পূর্বাহ্ন
পলাশ, পার্বতীপুর (দিনাজপুর) প্রতিনিধি::
বড় পুকুরিয়া কয়লা খনিতে শ্রমিক ধর্মঘটের ৭ম দিন আজ শনিবার শ্রমিকরা খনির প্রধান ফটকের সামনে কয়লা খনির শ্রমিক কর্মচারী ইউনিয়নের ব্যানারে সংবাদ সম্মেলন করেন। পার্বতীপুর ফুলবাড়ী ও দিনাজপুর জেলা থেকে আগত প্রায় অর্ধ শতাধিক প্রিন্ট, ইলেক্ট্রনিক্স ও চ্যানেল মিডিয়ার সাংবাদিক গণের উপস্থিতিতে শ্রমিক নেতৃবৃন্দ উদ্ভুত পরিস্থিতি ব্যাখ্যা করেন। দাবী না মানার জন্য প্রথমেই খনি কর্তৃপক্ষের প্রতি ধিক্কার ও নিন্দা জানিয়ে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন সংগঠনের সাধারন সম্পাদক আবু সুফিয়ান। বলা হয় গত ২৬ এপ্রিল এক সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে শ্রমিকদের ১৩ দফা এবং ক্ষতিগ্রস্থ্য ২০ গ্রামের অধিবাসীর ৬ দফা দাবি কর্তৃপক্ষ সহ উর্দ্ধতন পর্যায়ে পেশ করেন তারা। দাবী মানা না হলে ১৩ মে থেকে শান্তি পূর্ণ ভাবে কর্মবিরতি শুরুর করার আল্টিমেটাম দেয়া হয়। এরপর দাবি না মানলে ধর্মঘট শুরু করা হয় ১৩দফা দাবিতে। আন্দোলন ও কর্মবিরতি চলাকালীন ১৫ মে সকালে মটর সাইকেল যোগে ইমরান, জাহিদ, সাদেকুল ও ইমাম হাসান সহ কয়েকজন খনি কর্মকর্তা গেটে পৌছে শ্রমিকদের উপর চড়াও হয়ে মারপিট চালান। তাদের সাথে ভিতর থেকে এসে যোগ দেন জিএম কামরুজ্জামান, এমডি আবুল কাশেম প্রধানিয়া, জিএম নাজমুল হক ও তৃতীয় পক্ষের কর্মচারী সুফিয়ান। তাদের নের্তৃত্বে প্রায় দের শতাধিক জনবল মারপিটে লিপ্ত হন। এতে শ্রমিক এনামুল, মোস্তফা, মোতালিব, আইজার, রাকিব, আফজাল ও সুফিয়ান গুরুতর ভাবে আহন হন। শ্রমিক নেতৃবৃন্দের দাবি, ১৭ মে মনমেলা মিলনায়নে খনি কর্তৃপক্ষ সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে যে সব বক্তব্য উপস্থাপন করেছেন সে সবের অধিকাংশই বানোয়াট ও ভিত্তিহীন এবং ঘটনা প্রবাহকে ভিন্নখাতে প্রবাহের চেষ্টা। তারা অনতি বিলম্বে ১৩ দফা দাবি বাস্তবায়ন সহ সকল মামলা প্রত্যাহারের দাব্ িজানিয়েছেন। এ ব্যাপারে কোম্পানীর সচিব আবুল কাশেম প্রধানিয়ার সাথে কথা হলে জানান, বাস্তবতা কি আপনারা দেখতে পাচ্ছেন না। আমরা বাহিরে নির্বিঘেœ বের হতে পারছিনা। বাজার ঘাট করা যাচ্ছে না। আমরা অবরুদ্ধ নিরাপত্তাহীন। এক প্রশ্নের জবাবে বলেন, শ্রমিকদেরকে কর্মকর্তারা মারতে পারেন এই প্রথম শুনছি। এমন মিথ্যাচার তারা বরাবরই করেন।