রবিবার, ০৪ জানুয়ারী ২০২৬, ১২:১৬ পূর্বাহ্ন
সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি:: যমুনা পারের জেলা সিরাজগঞ্জে গত কয়েকদিন ধরে জেঁকে বসেছে শীত। কুয়াশার কারণে জেলার অনেক এলাকায় দেখা মেলেনি সূর্যের আলোর। ফলে বিপাকে পড়েছেন ছিন্নমূল ও নিম্ন আয়ের মানুষ।
শনিবার (৩ জানুয়ারি) সকালে এই জেলার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করেছে আবহাওয়া অফিস।
তাড়াশ কৃষি আবহাওয়া অফিসের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. জাহিদুল ইসলাম এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
রিকশাচালকরা জানান, কয়েকদিন ধরে তীব্র শীত অনুভূত হচ্ছে। আজ সকালে কুয়াশা ও শীতের মাত্রা বেশি। যাত্রী না থাকায় আয় হচ্ছে না তাদের। শীতের কারণে শহরে মানুষের সংখ্যা খুবই কম।
ব্যাটারিচালিত রিকশাচালক সুজন বলেন, সকাল থেকে বসে আছি, কোনো ভাড়া পাচ্ছি না। এভাবে চলতে থাকলে সংসার চালানো কঠিন হয়ে পড়বে।
বাঘাবাড়ী আবহাওয়া অফিসের কর্মকর্তা মোস্তফা কামাল বলেন, আজ সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে, যা চলতি মৌসুমের সর্বনিম্ন।
তাড়াশ কৃষি আবহাওয়া অফিসের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. জাহিদুল ইসলাম বলেন, কুয়াশার সঙ্গে হিমেল হাওয়াও বইছে, যে কারণে শীতের তীব্রতা বেশি। সকালে তাড়াশে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে, যা চলতি মৌসুমের সর্বনিম্ন।
সিরাজগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. আকিকুন নাহার বলেন, প্রচণ্ড শীতে শিশু ও বয়স্ক মানুষ নিউমোনিয়া, ডায়রিয়া ও জ্বরসহ বিভিন্ন ঠান্ডাজনিত রোগে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হচ্ছেন। দিন দিন রোগীর সংখ্যা বাড়ছে। শীত মৌসুমে শিশু ও বৃদ্ধদের সতর্কতার সঙ্গে পরিচর্যার পরামর্শ দেন তিনি।