শনিবার, ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০২:৪৭ অপরাহ্ন

শিরোনামঃ
বিগত সরকারের বন্ধ করে দেয়া বিমানবন্দরগুলো আগে চালু হবে- বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী ঢাকা-২ আসনকে সন্ত্রাস ও মাদকমুক্ত করতে যা যা করণীয় সব করা হবে: আমানউল্লাহ আমান ইফতার সামগ্রী ও নগদঅর্থ বিতরণে সাবেক এমপি লালু পঞ্চগড়ে জাতীয় সংগীত লিখতে না পারায় অংশ নেওয়া ৩৮ পরীক্ষার্থীর সবাই বাদ পড়েছে নড়াইলে পৈতৃক বসতভিটা থেকে উচ্ছেদের অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনকে অপসারণ ও নতুন রাষ্ট্রপতি নিয়োগের আইনি নোটিশ সাতক্ষীরায় তীব্র ঝাঁকুনি, ঢাকাসহ সারাদেশে ৫.৩ মাত্রার ভূমিকম্প শিক্ষকদের কোনো রাজনীতিতে না জড়ানোর অনুরোধ করলেন- সাংসদ খন্দকার আশফাক

চলতি মৌসুমে দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা পঞ্চগড়ে ১০.৫ ডিগ্রি

পঞ্চগড় প্রতিনিধি:: হিমালয় কন্যা খ্যাত সর্ব উত্তরের সীমান্ত জেলা পঞ্চগড়ে শীতের দাপট দিন দিন বাড়ছে। গত কয়েকদিন ধরে দেশের অন্যসব অঞ্চলের তুলনায় এখানকার তাপমাত্রা দ্রুত কমে যাচ্ছে। পারদ নেমে এসেছে ১০ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসের ঘরে। যা চলতি মৌসুমে দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা জানিয়েছে আবহাওয়া দপ্তর।

শনিবার (৬ ডিসেম্বর) সকাল ৯টায় জেলার তেঁতুলিয়া আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রে এই তাপমাত্রা রেকর্ড হয়। বাতাসের আর্দ্রতা ছিল ৯৪ শতাংশ।

এর আগে, শুক্রবার এখানে একই সময়ে তাপমাত্রা রেকর্ড হয় ১১ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এদিন সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ২৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

তেঁতুলিয়া আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জিতেন্দ্রনাথ রায় এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, পঞ্চগড়ের তাপমাত্রা মৃদু শৈত্যপ্রবাহের ঘরে নেমেছে। কারণ হিসেবে বলেন, তাপমাত্রার পারদ ৮ থেকে ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের ঘরে থাকলে সেটিকে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ ধরা হয়। ডিসেম্বরেই তাপমাত্রা আরো কমে মাঝারি শৈত্যপ্রবাহ দেখা দিতে পারে।

এদিকে, রাত থেকে সকাল পর্যন্ত ঘন কুয়াশা দেখা যায়। এতে সকালে কাজে বের হওয়া শ্রমজীবী মানুষেরা সবচেয়ে বেশি ভুগছেন। অনেকেই গায়ে অতিরিক্ত কাপড় জড়িয়েও কাজ করতে হিমশিম খাচ্ছেন। তাপমাত্রা কমে যাওয়ায় শিশু, বয়স্ক ও রোগীদের ওপর এর প্রভাব বেশি পড়ছে। দরিদ্র পরিবারগুলো শীতবস্ত্রের সংকটে রয়েছে।

জেলা প্রশাসক কাজী মো. সায়েমুজ্জামান বলেন, এই শীতে জেলা প্রশাসনের বড় কাজ হলো শীতার্তদের পাশে দাঁড়ানো। পঞ্চগড় জেলা প্রশাসন এই কাজটি নিয়মিত করে যাচ্ছে। এবার দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তর থেকে এ জেলায় ৩০ লাখ টাকা দেওয়া হয়েছে। চাহিদা বেশি থাকায় ৮ হাজার ৬৪০টি কম্বল কিনে পাঁচটি উপজেলার ৪৩টি ইউনিয়নের বিতরণ করা হয়েছে। আরো ৬৫ হাজার কম্বলের চাহিদা মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

© All rights reserved © 2024  Ekusharkantho.com
Technical Helped by Curlhost.com