শুক্রবার, ১৩ মার্চ ২০২৬, ০৫:৪০ অপরাহ্ন

শিরোনামঃ
ত্রয়োদশ সংসদের প্রথম অধিবেশন: কার্য উপদেষ্টাসহ ৫ সংসদীয় কমিটি গঠন, পর্যালোচনায় আসবে ১৩৩ অধ্যাদেশ ধামরাইয়ে জরাজীর্ণ মিটারে বারবার আগুন: নতুন সংযোগে পল্লী বিদ্যুতের ‘গড়িমসি’, আতঙ্কে ব্যবসায়ীরা রাষ্ট্রপতির পরস্পরবিরোধী বক্তব্য ও নৈতিকতা: পদত্যাগের দাবিতে উত্তাল রাজনৈতিক অঙ্গন ইরানে সরকার পতন সম্ভব নয়: ইসরায়েলের ‘অসহায়’ স্বীকারোক্তি হরমুজ প্রণালিতে ৩ জাহাজে ভয়াবহ হামলা: একটিতে আগুন, নাবিকদের উদ্ধার সালথায় আওয়ামী আমলের সারের ডিলার বাতিলের দাবিতে উত্তাল মানববন্ধন ঝুঁকিপূর্ণ মিটারে অগ্নিকাণ্ডের আতঙ্ক: ধামরাইয়ে নতুন সংযোগ দিতে পল্লী বিদ্যুতের গড়িমসি ও মালিকপক্ষের অসহযোগিতার অভিযোগ জমে উঠেছে ইসলামপুর ঈদের বাজার, খুশি ব্যবসায়ীরা ॥

খুলনা বিভাগে করোনা অপ্রতিরোধ্য!

এস.এম. সাঈদুর রহমান সোহেল, খুলনা ব্যুরো::

খুলনা বিভাগের দশ জেলায় করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত ও মৃত্যুর সংখ্যা কোন কিছুতেই যেন রূখতে পারছে না। একের পর এক লকডাউন, রেডজোন, স্বাস্থ্যবিধি, সামাজিক ও শারীরিক দূরত্বসহ নানা বিধি নিষেধের মধ্যেও লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে মৃত্যু ও আক্রান্তের সংখ্যা।

বুধবার (৮ জুলাই) পর্যন্ত খুলনা বিভাগের দশ জেলায় করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুর সংখ্যা ১০৯। আর বিভাগে এ ভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে মোট ৬ হাজার ৮ জন। এ সময় সুস্থ্য হয়েছেন ২ হাজার ১২২ জন।

বর্তমানে বিভাগের করোনা হাসপাতালগুলোতে চিকিৎসাধীন রয়েছেন ৬৬৪ জন, বাকিরা হোম আইসোলেশনে চিকিৎসা গ্রহণ করছেন।

খুলনা বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালকের দপ্তরের কোভিট-১৯ কোয়ারেন্টাইন ও আইসোলেশনের দৈনিক প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, ১০ মার্চ থেকে ০৮ জুলাই পর্যন্ত প্রায় চার মাসে বিভাগের দশ জেলায় করোনায় আক্রান্ত হয়ে মোট ১০৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে খুলনায় সর্বোচ্চ ৪২, বাগেরহাটে ৪, সাতক্ষীরায় ৫, যশোরে ১৩, ঝিনাইদহে ৫, মাগুরায় ৬, নড়াইলে ৭, কুষ্টিয়ায় ১৯, চুয়াডাঙ্গায় ৩ জন এবং মেহেরপুরে ৫জন মারা গেছেন।

করোনা সংক্রান্ত বিভাগীয় প্রতিবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়, বিভাগের দশ জেলায় ০৮ জুলাই পর্যন্ত মোট আক্রান্তের সংখ্যা ৬ হাজার ৮জন। এর মধ্যে খুলনায় ২৬৮০, বাগেরহাটে ২৩৩, সাতক্ষীরায় ২৭৯, যশোরে ৮০৫, ঝিনাইদহে ৩৩৩, মাগুরায় ১৭৬, নড়াইলে ৩২৩, কুষ্টিয়ায় ৮১৫, চুয়াডাঙ্গায় ২৬৯জন এবং মেহেরপুরে ৯৫জন আক্রান্ত হয়েছেন।

বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক ডা. রাশেদা সুলতানা জানান, খুলনা বিভাগে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে পাল্লা দিয়ে করোনা ভাইরাসের প্রকোপও বাড়ছে। এ জন্য তিনি স্বাস্থ্যবিধি না মানাকে দায়ি করেন বলেন, প্রশাসন ও স্বাস্থ্য বিভাগ ভাইরাসের প্রকোপ কমাতে তৎপর থাকলেও মানুষের অসচেতনতায় তা পুরোপুরি সম্ভব হচ্ছে না। তারপরও আক্রান্তদের শনাক্ত করা এবং তাদের প্রয়োজনীয় চিকিৎসার ওপর গুরুত্ব দেয়া হচ্ছে।

খুলনার সিভিল সার্জন ডা. সুজাত আহমেদ বলেন, করোনা ভাইরাসের সংক্রমণরোধ এবং মৃত্যু কমাতে স্বাস্থ্য বিভাগ কাজ করছে। যার আলোকে খুলনা মহানগরীর ১৭ ও ২৪নং ওয়োর্ড এবং রূপসা উপজেলার আইচগাতি ইউনিয়নকে ২৫ জুন থেকে রেডজোন ঘোষণা করে সেখানে লকডাউন চলমান রয়েছে। কিন্তু তারপরও বিধি নিষেধ লঙ্ঘণ চলছে, প্রশাসন জরিমানাও করছে। বিধি নিষেধ বাস্তবায়নে মাঠ পযায়ে পুলিশকে আরও বেশি কঠোর হওয়ার আহবান জানান তিনি।

সংবাদটি শেয়ার করুন

© All rights reserved © 2024  Ekusharkantho.com
Technical Helped by Curlhost.com