শুক্রবার, ১৩ মার্চ ২০২৬, ১১:২২ অপরাহ্ন

শিরোনামঃ
ত্রয়োদশ সংসদের প্রথম অধিবেশন: কার্য উপদেষ্টাসহ ৫ সংসদীয় কমিটি গঠন, পর্যালোচনায় আসবে ১৩৩ অধ্যাদেশ ধামরাইয়ে জরাজীর্ণ মিটারে বারবার আগুন: নতুন সংযোগে পল্লী বিদ্যুতের ‘গড়িমসি’, আতঙ্কে ব্যবসায়ীরা রাষ্ট্রপতির পরস্পরবিরোধী বক্তব্য ও নৈতিকতা: পদত্যাগের দাবিতে উত্তাল রাজনৈতিক অঙ্গন ইরানে সরকার পতন সম্ভব নয়: ইসরায়েলের ‘অসহায়’ স্বীকারোক্তি হরমুজ প্রণালিতে ৩ জাহাজে ভয়াবহ হামলা: একটিতে আগুন, নাবিকদের উদ্ধার সালথায় আওয়ামী আমলের সারের ডিলার বাতিলের দাবিতে উত্তাল মানববন্ধন ঝুঁকিপূর্ণ মিটারে অগ্নিকাণ্ডের আতঙ্ক: ধামরাইয়ে নতুন সংযোগ দিতে পল্লী বিদ্যুতের গড়িমসি ও মালিকপক্ষের অসহযোগিতার অভিযোগ জমে উঠেছে ইসলামপুর ঈদের বাজার, খুশি ব্যবসায়ীরা ॥

খুলনায় ইউপি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে সরকারি অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ

খুলনা ব্যুরো::

জেলার তেরখাদা উপজেলার ছাগলাদহ ইউপি চেয়ারম্যান এসএম দীন ইসলামের বিরুদ্ধে সরকারি অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ করেছেন স্থানীয় এক ছাত্রলীগ নেতা। সরকারি অর্থ দিয়ে সহায়-সম্পদসহ ৪০ বিঘা জমির মালিক হয়েছেন ইউপি চেয়ারম্যান। তার দুর্নীতির তদন্ত দাবি করা হয়েছে। সরকারি ৮টি প্রকল্পের অর্থ আত্মসাতের দায়ে ২০১৩ সালে ইউপি চেয়ারম্যানকে এলজিআরডি মন্ত্রণালয় সাময়িকভাবে বরখাস্ত করে।

সোমবার দুপুরে খুলনা প্রেস ক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে একই উপজেলার ইছামতি গ্রামের কাজী আবুল খায়েরের পুত্র, জেলা ছাত্রলীগের সদস্য কাজী তরিকুল ইসলাম তরু এ অভিযোগ করেন।

তিনি বলেন, ইউপি চেয়ারম্যান দুর্নীতি, অনিয়ম, ক্ষমতার অপব্যবহার, সরকারি জমি দখল, সরকারি প্রকল্প লুটপাট ও নামকাওয়াস্তে খাল খনন করে বিপুল অর্থ লুটেছেন। ছাগলাদহ ইউনিয়নে ‘জমি আছে, ঘর নেই’ প্রকল্পে ঘর দেওয়ার আশ্বাস দিয়ে ২শ’ দরিদ্র পরিবারের কাছ থেকে প্রতি পরিবারে ৩০ হাজার টাকা হিসেবে ৬০ লাখ টাকা আত্মসাৎ করেছেন। ৪০ দিনের কর্মসৃজন কর্মসুচীতে ২৫ লাখ টাকা এবং কাবিটা প্রকল্পের ১ কোটি ৪০ লাখ টাকা, পানি উন্নয়ন বোর্ডের বেড়িবাঁধ প্রকল্পে ১০ লাখ টাকা মূল্যের গাছ কেটে আত্মসাৎ করেছেন। ইউপি চেয়ারম্যান গত এক যুগে তার অবৈধ আয় থেকে খুলনা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের ময়ূরী প্রকল্পে তিন কাঠা জমির জন্য ২৭ লাখ ৫০ হাজার টাকা জমা দিয়েছেন। ছাগলাদহ ইউনিয়নে মন্ডলগাতি গ্রামের খোকন শেখের কাছ থেকে ৪৫ লাখ টাকা মূল্যের ৯ বিঘা, একই গ্রামের কানাই ফকিরের ৪ ছেলের কাছ থেকে ২০ লাখ টাকা দিয়ে ৫ বিঘা, জহির শেখের কাছ থেকে ২০ লাখ টাকা দিয়ে ৪ বিঘা, উজির মোল্লার কাছ থেকে ৬ লাখ টাকা দিয়ে এক বিঘা, কুমিরডাঙ্গা গ্রামের কুদ্দুস শেখের কাছ থেকে ৪ লাখ টাকা মূল্যের এক বিঘা, তেরখাদা সদরে ৭৫ লাখ টাকায় আট কাঠা জমি ক্রয় করেছেন। ঢাকায় ৭০ লাখ টাকা দিয়ে একটি ফ্লাটও ক্রয় করেছেন। তেরখাদা উপজেলার কোদলা গ্রামে চেয়ারম্যানের নিজস্ব বাড়িতে ৮০ লাখ টাকা দিয়ে ভবন নির্মাণ করেছেন। সোনালী ও অগ্রনী ব্যাংক তেরখাদা শাখায় চেয়ারম্যানের নামে নগদ অর্থ জমা আছে।

সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, ইউপি চেয়ারম্যান পৈত্রিক সূত্রে ২ বিঘা জমির মালিক ছিলেন। চেয়ারম্যান নির্বাচিত হওয়ার আগে তার টিনের ঘরের ওপর দিয়ে বর্ষায় পানি পড়তো। ১৯৯১ সাল থেকে ২০১৯ সাল পর্যন্ত কখনও বিএনপি আবার কখনও আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে সক্রিয়। সংবাদ সম্মেলনে তার অবৈধ আয়ের উৎস খতিয়ে দেখতে দুদককে অনুরোধ করা হয়েছে। সংবাদ সম্মেলনে একই ইউপির সাবেক চেয়ারম্যানসহ গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

সংবাদটি শেয়ার করুন

© All rights reserved © 2024  Ekusharkantho.com
Technical Helped by Curlhost.com