রবিবার, ০৩ মে ২০২৬, ০৩:২৬ অপরাহ্ন

শিরোনামঃ
স্পীকারের সভাপতিত্বে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন সমাপ্ত বৈদেশিক ঋণের চড়া মাশুল: ২০২৬-২৭ অর্থবছরে পরিশোধ করতে হবে ৫ বিলিয়ন ডলার সংবিধান: সংশোধন না সংস্কার? দুই জোটের অনড় অবস্থানে কমিটি গঠন অনিশ্চিত রাণীশংকৈলে শিক্ষক সমিতির নির্বাচন শান্তিপূর্ণ, সভাপতি মানিক ও সম্পাদক মোশাররফ বিজয়ী যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আবারও যুদ্ধ শুরু হতে পারে: ইরানি কমান্ডার ইসলামপুরে সাংবাদিকদের সাথে স্থানীয় এমপির মতবিনিময় অ্যাভিয়েশন ও অ্যারোস্পেস বিশ্ববিদ্যালয়টি উত্তরাঞ্চলের শিক্ষা ও অর্থনীতিতে নতুন দিগন্তের সূচনা করবে—-ত্রানমন্ত্রী দুলু নোবেলজয়ী নার্গিস গুরুতর অসুস্থ, কারাগার থেকে হাসপাতালে ভর্তি

৯ ডিগ্রিতে নামলো নওগাঁর তাপমাত্রা

৯ ডিগ্রিতে নামলো নওগাঁর তাপমাত্রা

নওগাঁ প্রতিনিধি:: শীতে কাঁপছে উত্তরের জনপদ। অগ্রহায়ণেই মিলছে পৌষের শীত। জবুথবু জনজীবন, ভোগান্তি পোহাচ্ছেন খেটে খাওয়া মানুষজন।

শনিবার (৭ ডিসেম্বর) সকাল ৯টায় নওগাঁয় ৯ দশমিক ৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে। যা চলতি বছরে এখন পর্যন্ত এ জেলার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা।

নওগাঁর বদলগাছী কৃষি আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগারের কর্মকর্তা মিজানুর রহমান জানান, জেলায় শনিবার সকাল ৯টায় ৯ দশমিক ৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে।

এর আগে, গতকাল তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় ১২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। সেই হিসেবে ২৪ ঘণ্টার ব্যবধানে এ জেলার তাপমাত্রা কমেছে ২ দশমিক ১ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

স্থানীয়রা জানান, সন্ধ্যার পর শীতের প্রকোপ একটু বেশি থাকছে। সেই সঙ্গে হিমেল হাওয়ায় শীতের তীব্রতা বাড়িয়ে দিচ্ছে কয়েকগুণ। সন্ধ্যার পর থেকেই গরম কাপড় পরে চলাফেরা করছে মানুষ। রাত থেকে ভোর পর্যন্ত কুয়াশায় আচ্ছন্ন থাকছে চারপাশ। সকাল হলেই কেটে যাচ্ছে শীত।

এদিকে, শীত বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ছিন্নমূল ও খেটে খাওয়া মানুষের দুর্ভোগ বাড়ছে। সকালে সদর উপজেলার সামনে কথা হয় রিকশাচালক কুরবান আলীর সঙ্গে। তিনি বলেন, সারা দিন যখন গরম থাকে তখন যাত্রী পাওয়া যায়। রিকশাও ভালোভাবে চালানো যায়। কিন্তু সন্ধ্যার পর কিংবা সকালে যাত্রী তেমন পাওয়া যায় না। শীতের কারণে রিকশা ঠিকভাবে চালানো যায় না। ফলে আয় উপার্জন কমে গেছে।

এদিকে, শীত বাড়ায় জেলা ও উপজেলার হাসপাতালগুলোর বহির্বিভাগে রোগীর সংখ্যা বাড়ছে। বিশেষ করে সর্দি, কাশি, নিউমোনিয়া ও শ্বাসকষ্টজনিত রোগে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যাই বেশি। এসব রোগীর মধ্যে শিশু ও বৃদ্ধ মানুষের সংখ্যা বেশি। হাসপাতালে প্রতিদিন রোগীরা চিকিৎসা নিচ্ছেন। যারা বেশি অসুস্থ হয়ে পড়ছেন তারাই কেবল হাসপাতালে ভর্তি হচ্ছেন।

সংবাদটি শেয়ার করুন

© All rights reserved © 2024  Ekusharkantho.com
Technical Helped by Curlhost.com