শুক্রবার, ০৩ এপ্রিল ২০২৬, ০৭:৫২ অপরাহ্ন
জিন্নাতুল ইসলাম জিন্না, লালমনিরহাট প্রতিনিধি::
একাদশ জাতীয় সংসদের রেষ কাটতে না কাটতেই বইতে শুরু করেছে “উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের জোয়ার”। উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষনা করায় লালমনিরহাট সদর উপজেলা পরিষদেও বইছে নির্বাচনী হাওয়া। আসন্ন লালমনিরহাট সদর উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে আওয়ামীলীগ থেকে ৫জন দলীয় মনোনয়নের জন্য হাইকমান্ডে যোগাযোগ করছেন।
তারা হলেন, জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ন সম্পাদক এ্যাড. আশরাফ হোসেন বাদল, পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি মোফাজ্জল হোসেন, জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক গোলাম মোস্তফা স্বপন, জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি এরশাদ হোসেন জাহাঙ্গীর ও জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক কামরুজ্জামান সুজন।
দলীয় প্রতীকে নির্বাচন হওয়ায় দল থেকে মনোনয়ন নেয়ার জন্য প্রার্থীরা নিজ যোগ্যতা যাচাইয়ের জন্য তৎপরতা শুরু করেছেন। এতে পিছিয়ে নেই কামরুজ্জামান সুজন। দলের জন্য নিবেদিত প্রাণ ও ত্যাগী নেতা, সৎ, নিষ্টাবান ও নির্ভীক, যোগ্য, স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতামুলক দক্ষ ব্যক্তি হিসেবে “জেলা আওয়ামীলীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারন সম্পাদকের হাতে উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী হিসেবে জীবনবৃত্তান্ত তুলে দিলেন” জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক কামরুজ্জামান সুজন।
জানা গেছে, লালমনিরহাট-৩ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ও আওয়ামীলীগের প্রবীন রাজনীতিবীদ ইঞ্জিঃ আবু সাঈদ দুলাল এর একান্ত সচিব হিসেবে কামরুজ্জামান সুজন এর বিভিন্ন উন্নয়ন কাজের সাথে রয়েছে নিবিড় সর্ম্পক। শুধু তাই নয়, এক সময়ে রাজনীতির মাঠ কাঁপানো, তারুণ্যের অহংকার, তরুণ উদীয়মান জণনেতা, পরিচ্ছন্ন রাজনীতিতে বিশ্বাসী ও মাঠে রয়েছে বিশাল কর্মী বাহিনী। সদর উপজেলার স্কুল, মসজিদ, মাদ্রাসা ও মন্দিরের বিভিন্ন উন্নয়ন কাজে নিজ অর্থায়নে সহযোগিতা করায় মাঠে-ঘাটে তৈরি হয়েছে ক্লিন ইমেজ। ফলে এলাকায় রয়েছে বেশ জনপ্রিয়তা।
কামরুজ্জামান সুজনের সমর্থক মহুবর রহমান জানান, উপজেলার প্রতিটি গ্রাম,ওয়ার্ড ও ইউনিয়ন পর্যায়ে দলীয় কার্যক্রমকে প্রসারিত করতে কঠোর পরিশ্রম করেছেন এ নেতা। ফলে উপজেলার প্রতিটি গ্রাম,ওয়ার্ড ও ইউনিয়ন পর্যায়ে রয়েছেন তার নিজস্ব কিছু মানুষ। ইতিমধ্যে তার কোমর বেঁধে উপজেলা পরিষদ নির্বাচনী প্রচারনায় ও গণসংযোগ চালাচ্ছেন। ফলে চায়ের দোকান, পাড়া মহলøা, মাঠঘাট, হাট-বাজার সর্বত্র সাধারণ মানুষের মাঝে চলছে কামরুজ্জামান সুজনের আলোচনা।
এ বিষয়ে সাবেক ছাত্রলীগ নেতা কামরুজ্জামান সুজন বলেন, দলীয় মনোনয়ন না পেলে সিদ্ধান্ত ছেড়ে দিব দলীয় নেতাকর্মী ও জনগণের ওপর। তারা যদি আমাকে প্রার্থী হিসাবে চান তখন সিদ্ধান্ত নিব। আমার রাজনীতি মুলত জনগণকে নিয়ে, জনগণ আমার পরিবার, আসন্ন উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে আমি চেয়ারম্যান পদে নির্বাচন করতে চাই। আশা করি দল আমাকে মনোনয়ন দিবেন। আমি বর্তমান সরকারের উন্নয়নের ধারাকে এগিয়ে নিতে ঐক্যবদ্ধ ভাবে সাধারণ মানুষকে সাথে নিয়ে নিরলস ভাবে কাজ করতে চাই।
লালমনিরহাট জেলা আওয়ামীলীগের প্রবীণ রাজনীতিবীদরা বলেন, দলের জন্য নিবেদিত প্রাণ ও ত্যাগী নেতাদের নিয়ে একটি প্রার্থী তালিকা দলের হাইকমান্ডে প্রেরণ করা হবে। জননেত্রী শেখ হাসিনা যাকে মনোনয়ন দিবেন দলের নেতা-কর্মীরা তার পক্ষেই কাজ করবেন। এ জেলায় দলের মাঝে কোনো কোন্দল নেই। সে কারণে দলের সিন্ধান্তের বাহিরে গিয়ে কেউ প্রার্থী হবেন না।