সোমবার, ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৩:৫৪ পূর্বাহ্ন

৩০ বছরে মাঠের রাজনৈতিক নেতার বিজয়, মন্ত্রী দেখতে আগ্রহী সুশীল সমাজ

৩০ বছরে মাঠের রাজনৈতিক নেতার বিজয়, মন্ত্রী দেখতে আগ্রহী সুশীল সমাজ

নিজস্ব প্রতিনিধি, নবাবগঞ্জঃ বিগত তিন দশকেরও বেশী সময় ধরে ঢাকার দোহার নবাবগঞ্জে রাজনীতি করে মাঠে থেকে উঠে আসা কোনো নেতা এমপি বা মন্ত্রী হননি। এবারের নির্বাচনেই একমাত্র রাজনৈতিক কর্মী থেকে নেতা হয়ে বিপুল ভোটে এমপি হয়েছেন ঢাকা জেলা বিএনপির সভাপতি খন্দকার আবু আশফাক। এর আগে কেউ এতো ভোটের ব্যবধানেও নির্বাচিত হয়নি। তাঁর এ বিজয়কে ইতিবাচক হিসিবে দেখছে দোহার নবাবগঞ্জের সুশীল সমাজসহ নানা শ্রেণী পেশার মানুষ।

দলীয় সূত্রে জানায়, খন্দকার আবু আশফাক ছাত্রনেতা থেকে যুবদলের রাজনীতি করে বিএনপির হাল ধরেন। জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক থেকে সভাপতির দায়িত্ব পালন করছেন। দলের র্দুসময়ে নেতাকর্মীদের পাশে থেকে কাজ করেছেন। প্রায় শতাধিক মামলার শিকার হয়ে কারাবরণ করেছেন। খন্দকার আবু আশফাককে মন্ত্রী হিসেবে দেখতে চায় রাজধানীর পাশের দোহার নবাবগঞ্জের নানা শ্রেণী পেশার মানুষসহ সুশীল ব্যক্তিরা।

নবাবগঞ্জ উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষক সমিতির সভাপতি শাহ আলম বলেন, প্রবাসী অধ্যষিত দোহার নবাবগঞ্জে কাঙ্খিত কোনো উন্নয়ন হয়নি। ৯১ সালের পর এখানে আর কোনো মন্ত্রী পায়নি সাধারণ মানুষ। তাই এবারের মন্ত্রীসভায় খন্দকার আবু আশফাককে অর্ন্তভূক্ত করা হলে উন্নয়ন কাজ তরান্বিত হবে। এ উপজেলা শিক্ষা স্বাস্থ্য ও অবকাঠামো উন্নয়নের বিকাশ ঘটাতে হলে একজন মন্ত্রী এ অঞ্চলের মানুষর প্রত্যাশিত।

নবাবগঞ্জ গ্র্যাজুয়েটস এসোসিয়েশনের সভাপতি আবুল হোসেন বলেন, দোহার নবাবগঞ্জে অনেকেই এমপি মন্ত্রী হয়েছেন। তবে রাজনীতি করে নয়। একমাত্র খন্দকার আবু আশফাকই মাঠে রাজনীতি করে কর্মী থেকে নেতা ও নেতা থেকে এমপি হয়েছে। বাকি কেউ ছিলো আমলা কেউ আইনজীবী বা গৃহীনি। স্বাধীতার পর এতো ভোটের ব্যবধানে আর কেউ এমপি হয়নি। তাই এ অঞ্চলের উন্নয়ন কাজকে বেগবান করতে তাঁকে মন্ত্রী সভায় স্থান দিলে সাধারণ মানুষের প্রত্যাশা পূরণ হবে।

দোহার নবাবগঞ্জ নারী কল্যাণ সমিতির সাধারণ সম্পাদক অনিকা ইয়াসমিন বলেন, নারীর কল্যাণ সাধন ও তাঁদের অধিকার বাস্তবায়নে খন্দকার আবু আশফাককে মন্ত্রী হিসেবে দেখতে চাই। এ অঞ্চলের অসংখ্য নারী উদ্যোক্তা হিসেবে কাজ করছে। কর্মজীবী নারীদের নিরাপত্তায় উদ্যোগ নেয়া জরুরী। নারী কর্মসংস্থান বৃদ্ধি করতে হলে একজন মন্ত্রী মর্যাদার অভিভাবক দরকার।
শিক্ষানুরাগী মাধুরী বণিক বলেন, দোহার নবাবগঞ্জের মানুষের জীবন মানের উন্নয়নে এবং শিক্ষা সংস্কৃতির বিকাশে একজন জনপ্রতিনিধিকে অগ্রণী ভূমিকা পালন করতে হবে। তেমনি তিনি যদি সরকারে থেকে কাজ করতে সুযোগ পান তাহলে মানুষের চাহিদা পূরণ সম্ভব। এমনটাই প্রত্যাশা আমাদের।

তরুণ প্রজম্মের কলেজ শিক্ষার্থী আরিফা হক বলেন, ঢাকা থেকে আসতে এখনো দুই আড়াই ঘন্টা সময় ব্যয় হয়। কেরানীগঞ্জ থেকে দোহার নবাবগঞ্জ রাস্তাটি চার লেন ও রুহিতপুরে একটি উড়াল সেতু দরকার। এসব কাজ করতে হলে একজন মন্ত্রী দোহার নবাবগঞ্জবাসীর জন্য বেশী গুরুত্বপূর্ণ। এমপির জন্য না হলেও এ অঞ্চলে মানুষের চাহিদার কথা বিবেচনা করে যেন নতুন সরকারে আবু আশফাককে মন্ত্রী করা হয় এমন দাবি সকলের।

সংবাদটি শেয়ার করুন

© All rights reserved © 2024  Ekusharkantho.com
Technical Helped by Curlhost.com