শুক্রবার, ১৩ মার্চ ২০২৬, ১১:৫৭ পূর্বাহ্ন

শিরোনামঃ
ত্রয়োদশ সংসদের প্রথম অধিবেশন: কার্য উপদেষ্টাসহ ৫ সংসদীয় কমিটি গঠন, পর্যালোচনায় আসবে ১৩৩ অধ্যাদেশ ধামরাইয়ে জরাজীর্ণ মিটারে বারবার আগুন: নতুন সংযোগে পল্লী বিদ্যুতের ‘গড়িমসি’, আতঙ্কে ব্যবসায়ীরা রাষ্ট্রপতির পরস্পরবিরোধী বক্তব্য ও নৈতিকতা: পদত্যাগের দাবিতে উত্তাল রাজনৈতিক অঙ্গন ইরানে সরকার পতন সম্ভব নয়: ইসরায়েলের ‘অসহায়’ স্বীকারোক্তি হরমুজ প্রণালিতে ৩ জাহাজে ভয়াবহ হামলা: একটিতে আগুন, নাবিকদের উদ্ধার সালথায় আওয়ামী আমলের সারের ডিলার বাতিলের দাবিতে উত্তাল মানববন্ধন ঝুঁকিপূর্ণ মিটারে অগ্নিকাণ্ডের আতঙ্ক: ধামরাইয়ে নতুন সংযোগ দিতে পল্লী বিদ্যুতের গড়িমসি ও মালিকপক্ষের অসহযোগিতার অভিযোগ জমে উঠেছে ইসলামপুর ঈদের বাজার, খুশি ব্যবসায়ীরা ॥

মঞ্চে বক্তব্য দেওয়ার সময় পড়ে গেলেন জামায়াতের আমির

মঞ্চে বক্তব্য দেওয়ার সময় পড়ে গেলেন জামায়াতের আমির

একুশের কণ্ঠ রিপোর্ট:: বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বক্তব্য দেওয়ার সময় দুইবার মঞ্চে পড়ে গিয়েছেন। শনিবার (১৯ জুলাই) বিকাল ৫টা ২২ মিনিটে প্রথম দফায় পড়ে যান তিনি। এরপর উঠে বক্তব্য দিতে থাকেন তিনি। পরে আবার পড়ে যান এবং বসে বক্তব্য দেন। চিকিৎসকরা বক্তব্য দিতে নিষেধ করলেও তিনি শোনেননি।

এ সময় হুলস্থুল পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। তখন কেন্দ্রীয় নেতাকর্মীরা পরিস্থিতি শান্ত করার চেষ্টা করেন। ডা. শফিকুর রহমান বসে বসে প্রায় ১০ মিনিট বক্তব্য দেন।

তিনি বলেন, আমার যতক্ষণ হায়াত থাকবে ততক্ষণ বাঁচবো। তিনি নিজের শহিদী মৃত্যু কামনা করেন। আমিরের বক্তব্যে নেতাকর্মীরা আবার উজ্জীবিত হন। মঞ্চে বসে বক্তব্য দেওয়ার সময় দলের চিকিৎসকরা শফিকুর রহমানের রক্ত পরীক্ষা করেন। ছোট পাখা নিয়ে বাতাস করেন কেউ কেউ। এ সময় জামায়াতের আমির জানান, তিনি রক্তচুক্ষকে উপেক্ষা করেছেন। জামায়াতের কেউ এমপি হলে হাতে টাকা বিনিময় করবেন না বলে জানান। তিনি উল্লেখ করেন, জামায়াতের কেউ এমপি হলে ট্যাক্সবিহীন গাড়ি চড়বে না।

পুরানা পল্টনের ২০০৬ সালের ২৮ অক্টোবরের ঘটনাকে গণহত্যা হিসেবে অভিহিত করেন ডা. শফিকুর রহমান। শাপলা হত্যাকাণ্ডসহ বিভিন্ন সময়ে হত্যাকাণ্ডের ঘটনাকে গণহত্যা আখ্যা দিয়ে তার বিচার দাবি করেন। বক্তব্য দেওয়ার সময় পুরো মঞ্চের নেতারা দাঁড়িয়ে থাকেন। বেশ কয়েকজন তার পাশে বসে সেবা-শুশ্রূষা করেন। পাশাপাশি বারবার পাশ থেকে বক্তব্য শেষ করার কথা বলেন।

শফিকুর রহমান বলেন, আমার মওত নির্ধারিত। এক সেকেন্ড আগেও আমার মৃত্যু হবে না। এ সময় নায়েবে আমির আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের অনুরোধ করে বলেন, আমিরে জামায়াত বক্তব্য হয়ে গেছে আপনার। এরপর শফিকুর রহমান স্লোগান ও সালাম দিয়ে বক্তব্য শেষ করেন।

বেলা ২টায় পবিত্র কোরআন তেলাওয়াতের মাধ্যমে সমাবেশের মূল আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়। তবে সকাল ১০টার পর থেকেই বক্তব্য রাখেন জেলা ও ঢাকা মহানগর পর্যায়ের নেতারা। এর ফাঁকে ফাঁকে চলে সাংস্কৃতিক পরিবেশনা। অবাধ, সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন অনুষ্ঠানে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিশ্চিতকরণ, সব গণহত্যার বিচার, প্রয়োজনীয় মৌলিক সংস্কার, জুলাই সনদ ও ঘোষণাপত্র বাস্তবায়ন, জুলাই অভ্যুত্থানে শহীদ-আহতদের পরিবারের পুনর্বাসন, পিআর পদ্ধতিতে জাতীয় নির্বাচন এবং ১ কোটিরও বেশি প্রবাসী ভোটারের ভোটাধিকার নিশ্চিতকরণের দাবিতে এই সমাবেশের আয়োজন করা হয়েছে। জামায়াত ছাড়াও সমমনা বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতারাও এতে অংশ নেন।

সংবাদটি শেয়ার করুন

© All rights reserved © 2024  Ekusharkantho.com
Technical Helped by Curlhost.com