বৃহস্পতিবার, ১২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৪:৩৫ পূর্বাহ্ন
নিজস্ব প্রতিবেদকঃ দীর্ঘ প্রতিক্ষার নির্বাচন বৃহষ্পতিবার অনুষ্ঠিত হবে। প্রস্তুতির শেষ পর্যায়ে এসে ঢাকা-১ আসনের বিভিন্ন ভোট কেন্দ্রে প্রিজাইডিং কর্মকর্তা ও আইনশৃংখলা বাহিনীর নেতৃত্বে সরঞ্জামাদি পৌঁছে যাচ্ছে। বুধবার বেলা ১১ টা থেকে নবাবগঞ্জ ও দোহার উপজেলার ইউএনও এবং সহকারি রির্টানিং কর্মকর্তার নিকট হতে এসব ভোটের আসবাব গ্রহণ করছেন দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা।
সহকারি রির্টানিং কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, ঢাকা- ১ আসনের মোট ভোটার ৫লাখ ৩৬ হাজার ৬১৭। মোট ভোট কেন্দ্র ১৮৪টি। এতে ভোট কক্ষ সংখ্যা রয়েছে ১ হাজার ৫৮টি। উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্রতিটি কেন্দ্রেই সিসিটিভির আওতায় আনা হয়েছে। ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্র সংখ্যা পুলিশের চিহ্নিত ২৪টি।
এ বিষয়ে ঢাকা-১ আসনের সহকারী রির্টানিং কর্মকর্তা দিলরুবা ইসলাম ও মাইদুল ইসলাম বলেন, শান্তিপূর্ণ পরিবেশে প্রতিটি কেন্দ্রে ভোট গ্রহণের ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। কেন্দ্রে পুলিশ আনসার ছাড়াও সেনা বিজিবির টহল জোরদার থাকবে। তবে এখনো পর্যন্ত কোথাও কোনো অপ্রীতিকর কোনো কিছুর সম্ভাবনা নেই।
দোহার সার্কেলের সহকারি পুলিশ সুপার রাকিবুল ইসলাম বলেন, বিপুল সংখ্যক পুলিশ নির্বাচনের দায়িত্বে থাকবেন। সকলের সহযোগিতায় শান্তিপূর্ণ নির্বাচন উপহার দিতে চাই। চার শতাধিক পুলিশের সাথে আনসারসহ আইনশৃংখলা বাহিনীর সদস্যরা দায়িত্ব পালন করবে।

এ আসনে ৬জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। তারা হলেন, বিএনপির খন্দকার আবু আশফাক, জামায়াত ইসলামীর মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম, জাতীয় পার্টির নাসির মোল্লা, লেবার পার্টির শেখ মোহাম্মদ আলী, ইসলামী আন্দোলনের নুরুল ইসলাম ও স্বতন্ত্র প্রার্থী অন্তরা সেলিমা হুদা।
সাধারণ ভোটার ও সুধীমহলের ধারণা মূল লড়াই হবে ধানের শীষ ও দাড়িপাল্লায়। এ লড়াইয়ে হিন্দু ভোট টার্গেট করছে বিএনপি ও তাঁতী ভোটে ভাগ বসাতে ব্যস্ত জামায়াত। বুধবার দুই প্রার্থী সাবেক প্রতিমন্ত্রীর নামাজে জানাযায় একই সাথে অংশ নেয়। আনুষ্ঠানিক প্রচারণার কোনো সুযোগ না থাকলেও তাঁরা সবার সাথেই কুশল বিনিময় ও নেতাকর্মীদের সাথে সৌজন্য সাক্ষাত করে শেষ সময় পার করছেন। মূল দুই প্রতিদ্বন্দ্বি একই গ্রাম কলাকোপার বাসিন্দা। বৃহষ্পতিবার সকালে দু’জনেই নবাবগঞ্জের হরেকৃষ্ণ কুসুমকলি উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে ভোট দিবেন বলে জানা গেছে।