শনিবার, ০৩ জানুয়ারী ২০২৬, ০৭:১১ পূর্বাহ্ন
নিজস্ব প্রতিনিধিঃ ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-১ আসন (দোহার নবাবগঞ্জ) ৬ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। সোমবার দুপুর ১২ টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত এ মনোনয়নপত্র জমা দেন প্রার্থীরা। নবাবগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও সহকারী রির্টানিং অফিসার দিলরুবা ইসলামের কার্যালয়ে প্রার্থী নিজে উপস্থিত থেকে মনোনয়ন জমা দেন।
যেসব প্রার্থী এ পর্যন্ত ঢাকা-১ আসনে মনোনয়নপত্র জমা দেন তারা হলেন- বিএনপির প্রার্থী খন্দকার আবু আশফাক, জামায়াত ইসলামীর ব্যারিস্টার নজরুল ইসলাম, জাতীয় পার্টির নাসির উদ্দিন মোল্লা, ইসলামী শাসনতন্ত্র আন্দোলনের মাওলানা নুরুল ইসলাম, লেবার পার্টির মোহাম্মদ আলী, স্বতন্ত্র প্রার্থী অন্তরা সেলিমা হুদা । প্রার্থীরা তাঁদের প্রস্তাবকারী ও সমর্থনকারীসহ ৫জন করে প্রতিনিধি নিয়ে এ মনোনয়নপত্র জমা দেন। মনোনয়ন জমা শেষে উপজেলা চত্বরে সাংবাদিকদের সাথে কথা বলেনি সব প্রার্থীরা।
এসময় বিএনপির প্রার্থী খন্দকার আবু আশফাক বলেন, দেশের এই ক্রান্তিলগ্নে নির্বাচন জাতির জন্য অত্যন্ত জরুরী। একটি চক্র দেশের ভেতরে ও বাইরে নির্বাচন নিয়ে ষড়যন্ত্রে মেতেছে। নির্বাচিত সরকার যত দ্রুত ফিরবে দেশের আইনশৃংখলাসহ সবক্ষেত্রে জনগণের মঙ্গল হবে। জাতি গত এক যুগ ধরে একটি সুষ্ঠু নির্বাচনের অপেক্ষা প্রহর গুনছে। আজকে মনোনয়নপত্র জমার মধ্য দিয়ে কুয়াশা কাটছে। আশা করি সুষ্ঠু নিরপেক্ষ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের মাধ্যমে একটি জনপ্রতিনিধিত্বশীল সরকার গঠিত হবে। সংবাদ মাধ্যমের ভূমিকাও এ ক্ষেত্রে বেশ গুরুত্বপূর্ণ। এর আগে তিনি নিজ বাড়ি কলাকোপায় উৎসুক নেতাকর্মীদের শুভেচ্ছা জানিয়ে বাবা মার কবর জিয়ারত করে মনোনয়নপত্র জমা দিতে যান।

জামায়াত ইসলামীর প্রার্থী নজরুল ইসলাম বলেন, একটি ফ্যাসিস্ট সরকার বিদায় হয়েছে। জাতির ভোটের অপেক্ষায় দিন গুনছে। জনগনের মতামতের ভিত্তিতে যে সরকার হবে তারাই দেশের উন্নয়নে কাজ করবে বলে আশা করছি। ভোটে যাতে কোনো কালো টাকা ও পেশী শক্তি ব্যবহার না হয় সে বিষয়ে আপনারাও খেয়াল রাখবেন। তিনি দলীয় কয়েকজন জেষ্ঠ্য নেতা ও তার স্ত্রীকে সাথে নিয়ে মনোনয়নপত্র জমা দেন।
স্বতন্ত্র প্রার্থী অন্তরা সেলিমা হুদা বলেন, তাঁর বাবা সাবেক মন্ত্রী ব্যারিষ্টার নাজমুল হুদা ঢাকা-১ আসনে এমপি ছিলেন। তার আদর্শকে ধরে রাখতে তিনি জনগণের চাহিদার কারণে স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়েছেন। তিনি দোহার নবাবগঞ্জের মানুষের পাশে থেকে কাজ করতে চান।