শুক্রবার, ১৩ মার্চ ২০২৬, ০২:২৮ অপরাহ্ন

শিরোনামঃ
ত্রয়োদশ সংসদের প্রথম অধিবেশন: কার্য উপদেষ্টাসহ ৫ সংসদীয় কমিটি গঠন, পর্যালোচনায় আসবে ১৩৩ অধ্যাদেশ ধামরাইয়ে জরাজীর্ণ মিটারে বারবার আগুন: নতুন সংযোগে পল্লী বিদ্যুতের ‘গড়িমসি’, আতঙ্কে ব্যবসায়ীরা রাষ্ট্রপতির পরস্পরবিরোধী বক্তব্য ও নৈতিকতা: পদত্যাগের দাবিতে উত্তাল রাজনৈতিক অঙ্গন ইরানে সরকার পতন সম্ভব নয়: ইসরায়েলের ‘অসহায়’ স্বীকারোক্তি হরমুজ প্রণালিতে ৩ জাহাজে ভয়াবহ হামলা: একটিতে আগুন, নাবিকদের উদ্ধার সালথায় আওয়ামী আমলের সারের ডিলার বাতিলের দাবিতে উত্তাল মানববন্ধন ঝুঁকিপূর্ণ মিটারে অগ্নিকাণ্ডের আতঙ্ক: ধামরাইয়ে নতুন সংযোগ দিতে পল্লী বিদ্যুতের গড়িমসি ও মালিকপক্ষের অসহযোগিতার অভিযোগ জমে উঠেছে ইসলামপুর ঈদের বাজার, খুশি ব্যবসায়ীরা ॥

চট্টগ্রামে জশনে জুলুসে লাখো মানুষ

 চট্টগ্রাম প্রতিনিধি, একুশের কণ্ঠ ডটকম ॥ করোনার কারণে গত দুই বছর সীমিত পরিসরে জুলুস উদযাপন করা হলেও এবার করোনার বাধা ছিল না। এতে দুই বছর পর আগের মতো নবীপ্রেমী লাখো মানুষ অংশ নিচ্ছে এই জুলুসে।

পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে চট্টগ্রামে লাখো মানুষের অংশগ্রহণে অনুষ্ঠিত হচ্ছে ঐতিহ্যবাহী জশনে জুলুস।

নগরের ষোলশহর জামেয়া আহমদিয়া সুন্নিয়া আলিয়া মাদ্রাসাসংলগ্ন আলমগীর খানকাহ থেকে রোববার সকালে এই আয়োজনের আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়। জামেয়া মাদ্রাসার মাঠ পেরিয়ে আসার পরই এ মিছিল জনসমুদ্রে পরিণত হয়।

গাউসে জামান হজরতুলহাজ আল্লামা সৈয়দ মুহাম্মদ তাহের শাহের (মজিআ) নেতৃত্বে অনুষ্ঠিত এই জুলুস নগরীর মুরাদপুর, চকবাজার, জামালখান, কাজীর দেউড়ি, ওয়াসা, জিইসি প্রদক্ষিণ করে ফের মুরাদপুর হয়ে বিবিরহাট মাদ্রাসা ময়দানে এসে শেষ হওয়ার কথা রয়েছে।

এদিন ভোর থেকেই চট্টগ্রাম ও আশপাশের বিভিন্ন এলাকা থেকে জামেয়া ময়দানে এসে জড়ো হতে থাকেন ভক্তরা। বিভিন্ন উপজেলা থেকে আসা মানুষ বিবিরহাট, মুরাদপুর থেকে জুলুসে যোগ দেন।

করোনার কারণে গত দুই বছর সীমিত পরিসরে জুলুস উদযাপন করা হলেও এবার করোনার বাধা ছিল না। এতে দুই বছর পর আগের মতো নবীপ্রেমী লাখো মানুষ অংশ নিচ্ছে এই জুলুসে।

জুলুস উপলক্ষে নগরীর বিভিন্ন এলাকা সেজেছে রঙিন সাজে। নানা ব্যানার-ফেস্টুন ও আলোকসজ্জায় সাজানো হয়েছে সড়কের দুইপাশ।

জুলুসে নেতৃত্বদানকারী আল্লামা সৈয়দ মুহাম্মদ তাহের শাহের (মজিআ) জন্য সাজানো হয়েছে বিশেষ গাড়ি। সেই গাড়িতে অন্যদের মধ্যে আছেন আনজুমান এ রহমানিয়া আহমদিয়া সুন্নিয়া ট্রাস্টের সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট মুহাম্মদ মহসিন, সেক্রেটারি জেনারেল মুহাম্মদ আনোয়ার হোসেন, অ্যাডিশনাল সেক্রেটারি জেনারেল মুহাম্মদ শামসুদ্দিন, পিএইচপি ফ্যামিলির চেয়ারম্যান সুফি মিজানুর রহমান।

আয়োজক সংস্থা আনজুমানে রহমানিয়া আহমদিয়া সুন্নিয়া ট্রাস্টের সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন জানান, জুলুস পর্যবেক্ষণে গিনেজ বুক অব ওয়ার্ল্ড রেকর্ডের একটি ম্যানেজমেন্ট টিম থাকবে।

তিনি জানান, বিশ্বনবীর আগমনী দিবসে পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী উপলক্ষে চট্টগ্রামে যে জুলুস পালন করা হয়, সেখানে লাখো মানুষ অংশগ্রহণ করে। এমন জুলুস পৃথিবীর আর কোথাও হয় কি না জানা নেই। এটিকে সবচেয়ে বড় জুলুসের স্বীকৃতি দিতে গিনেজ বুক অব ওয়ার্ল্ড রেকর্ডের জন্য একটি আবেদন করা হয়েছিল।

এর পরিপ্রেক্ষিতে রোববার তাদের একটি ম্যানেজমেন্ট টিম পর্যবেক্ষণে থাকবে। বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ এ জশনে জুলুসের আয়োজন করা হচ্ছে ১৯৭৪ সাল থেকে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

© All rights reserved © 2024  Ekusharkantho.com
Technical Helped by Curlhost.com