সোমবার, ০৫ জানুয়ারী ২০২৬, ০৮:২৯ অপরাহ্ন

শিরোনামঃ

এক নারীর ভিডিও বক্তব্য ভাইরালঃ দোহারে বিএনপির প্রার্থীর বিরুদ্ধে মিথ্যা প্রচারণার অভিযোগ

এক নারীর ভিডিও বক্তব্য ভাইরালঃ দোহারে বিএনপির প্রার্থীর বিরুদ্ধে মিথ্যা প্রচারণার অভিযোগ

 

নিজস্ব প্রতিনিধিঃ ঢাকার দোহার উপজেলার মাহমুদপুর ইউনিয়নের চরকুসুমহাটি গ্রামে জমি সংক্রান্ত দ্বন্দ্বের জেরে স্বপ্না বেগম নামে এক নারীর বক্তব্যে স্থানীয় বিএনপির নেতাকর্মীদের উপর দোষারোপ করে ধানের শীষের প্রার্থী বিএনপি জেলা সভাপতিকে জড়িয়ে ১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবির ভিডিও ভাইরাল হয়। ভিডিওিটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ঘুরছে। এঘটনা নিয়ে আজ সকাল থেকেই সরব নেটওর্য়াক দুনিয়া।

 

স্বপ্না এঘটনা নিয়ে রোববার সন্ধ্যায় দোহার থানায় অভিযোগ করতে গেলে প্রথমে সাংবাদিকদের সাথে কথা বলতে অপারগতা জানান। পরে তাঁর পক্ষের লোকজনের পরামর্শে তিনি কথা বলতে রাজী হন। তিনি বলেন, আমি আশফাককে চিনি না। সকালে দুইটি ছেলে এসে আমাকে বলে বিএনপি ও আশফাকের নির্দেশে আপনার বাড়িতে হামলা হয়েছে একথা বলে বক্তব্য দেন । আমরা আপনার সমস্যা সমাধান করে দিবো। তখন ওই দুই যুবকের কথামতে আমি বলি, স্থানীয় কিছু বিএনপির লোক তাঁর জমি দখল করতে বাড়ী ঘরে হামলা করেছে। ঘর তুলতে বাধা দিচ্ছে।

 

বিএনপির ঢাকা জেলা সভাপতি খন্দকার আবু আশফাক বলেছে ১০ লাখ টাকা দিতে হবে। না হলে বাড়ি ছেড়ে দিতে হবে।এসব কথা ওই যুবকেরা রেকর্ড করে। এরপর চলে যায়। তার এ বক্তব্য ফেসবুকসহ বিভিন্ন যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হলে দোহারে সমালোচনার ঝড় বইতে থাকে। ঘটনাটি বিএনপির উপজেলা নেতৃবৃন্দসহ দলের প্রার্থী আশফাকের নজরে আসে।

সন্ধ্যায় ওই নারী দোহার থানা চত্বরে সাংবাদিকদের সাথে কথা বলে জানান, তিনি যা বলেছেন। তা সঠিক না। ওই দুই যুবকের শিখিয়ে দেয়া কথা বলেছেন। কারণ তিনি আশফাক কে তা জানে না। তিনি বলেন, ওই দুই যুবকে খুঁজে বের করে শাস্তি দিতে হবে। তাঁরা আমাকে দিয়ে মিথ্যা বক্তব্য প্রচার করেছে।

এসময় স্বপ্না বেগমের প্রতিপক্ষ কোরবান আলীও সেখানে উপস্থিত ছিলো। কোরবান বলেন, স্বপ্নার বাড়ির মধ্যে তার দুই শতাংশ জমি রয়েছে। তাই ঘর তুলতে বাধা দেয়া হয়েছে। তিনি কোনো দল করেন না। প্রবাসে ছিলেন । কিছুদিন পূর্বে দেশে ফিরেছেন। আর আশফাকের সাথেও তার কোনো ব্যক্তিগত চেনা জানা নেই।

এ বিষয়ে বিএনপির ঢাকা জেলা সভাপতি ও দোহার নবাবগঞ্জ নির্বাচনী এলাকার ধানের শীষের প্রার্থী খন্দকার আবু আশফাক বলেন, প্রতিপক্ষ মহল তাঁর বিরুদ্ধে এসব অপপ্রচার করে একটি রাজনৈতিক দলের সমর্থকদের পেজ থেকে প্রচার করছে। এতেই প্রমাণ হয় তাঁরা আমার জনপ্রিয়তাকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে মাঠে নেমেছে। তিনি প্রশাসনের প্রতি এঘটনায় জড়িত ওই নারীসহ নেপথ্যে থাকা যুবকদের আইনের আওতায় আনার দাবি জানান। তিনি এ ঘটনার প্রতিবাদে আইনগত ব্যবস্থা নিবেন বলেও জানান।

দোহার থানার ওসি আবুবকর সিদ্দিক বলেন, দীর্ঘদিন ধরেই এ জমিটি নিয়ে স্থানীয় দুই পক্ষের দ্বন্দ্ব চলে আসছে। থানা অভিযোগও আছে। সকাল থেকেই থানা পুলিশ ঘটনাস্থল তদন্ত করেছে। চাঁদা দাবির কোনো ঘটনার সত্যতা মিলেনি।

সংবাদটি শেয়ার করুন

© All rights reserved © 2024  Ekusharkantho.com
Technical Helped by Curlhost.com