বৃহস্পতিবার, ০২ এপ্রিল ২০২৬, ০২:১৭ অপরাহ্ন
নিজস্ব প্রতিনিধিঃ
অবৈধ বালু ব্যবসা বন্ধ না করলে জনতাকে নিয়ে ঘেরাও করা হবে। দ্রুত এ নির্দেশ বাস্তবায়নে পুলিশকে কাজ করতে বললেন দোহার নবাবগঞ্জের সংসদ সদস্য খন্দকার আবু আশফাক।
মঙ্গলবার দুপুরে দোহার উপজেলা মাসিক আইনশৃংখলা সভায় তিনি এ কথা বলেন। দোহার নবাবগঞ্জের মানুষের মাঝে শান্তি ফিরিয়ে দেয়াই আমার মূল চ্যালেঞ্জ। এ জন্য যা করণীয় তাই করা হবে।
দোহার উপজেলার ইউএনও মাইদুল ইসলামের সভাপতিত্বে সংসদ সদস্য খন্দকার আশফাক বলেন, যত্রতত্র বালু ব্যবসায়ীরা দলের নাম ভাঙ্গিয়ে এসব কাজ করছে পুলিশ কেন নিরব? উপজেলার শাইনপুকুর ফুলতলা থেকে নয়াবাড়ী পর্যন্ত পদ্মার পাড় জুড়ে সব ধরনের বালু উত্তোলন বন্ধ ও তাঁদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের সিদ্ধান্ত হয় সভায়।
এসময় সংসদ সদস্য বলেন, নারিশা ডাকবাংলো এলাকায় কোনো বালু ব্যবসা করতে পারবে না। এখানে কেউ কেউ প্রধানমন্ত্রী ও স্থানীয় এমপির ছবি টাঙ্গিয়ে অফিস করে এসব ব্যবসা করছেন বলেও তিনি অভিযোগ করেন। উপজেলা নিবার্হী কর্মকর্তা এবং ওসিকে দ্রুত তাঁদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের তাগিদ দেন। ব্যবস্থা না নিলে ধরে নেযা হবে পুলিশ ও আইনশৃংখলা বাহিনীর ইন্ধনে এটা হচ্ছে।
এসময় আশফাক এমপি আরো বলেন, একটি চক্র সমাজের কিছু মানুষের মান ক্ষুন্ন করতে ফেইক আইডি দিয়ে সোস্যাল মিডিয়ায় অপপ্রচার চালাচ্ছে। এমনকি নানা ফাঁদে ফেলে টাকাও আদায় করছে। পুলিশকে এ বিষয়ে তদন্ত করে দোষীদের আইনের আওতায় আনতে হবে। ওই চক্রটি একাধিক আইডি ব্যবহার করে । তাদের কাজেই গুপ্তভাবে থেকে মানুষের প্রপাগন্ডা ছড়ানো।
সভায় তিনি আরো বলেন, সমাজ থেকে মব সন্ত্রাস দূর করতে হবে। এটা কোনো জাতির জন্য শুভকর নয়। একটি গোষ্ঠি ৫ আগষ্টের পর থেকে এসব কাজ করে সমাজর সাধারণ মানুষকে ভীতি আতংকের দিকে নিয়ে যাচ্ছে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের প্রত্যাশা একটি সুন্দর সমাজ ব্যবস্থা গড়ে সকলের জন্য বাসযোগ্য করা। আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করা। কেউ দোষী হলে আইন তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিবে। নিজের হাতে আইন তুলে নিয়ে যাকে তাকে হেয় করা চলবে না। আমরা এ নিদের্শনা মেনে কাজ করবো।
এসময় উপস্থিত ছিলেন দোহার স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের পরিবার কল্যাণ কর্মকর্তা ডা. রবিউল ইসলাম, সহকারী কমিশনার (ভূমি) তাসফিক সিগবাত উল্লাহ, ওসি আবু বকর সিদ্দিক, বীর মুক্তিযোদ্ধা আবু তালেব শিকদার, যুবদলের নেতা আবুল হাশেম বেপারিসহ বিভিন্ন দপ্তর প্রধান ও রাজনৈকি দলের নেতৃবৃন্দ।