শুক্রবার, ২৯ অগাস্ট ২০২৫, ০৭:২৩ অপরাহ্ন
বিনোদন ডেস্ক, ই-কণ্ঠ টোয়েন্টিফোর ডটকম ॥ মুক্তির আগে থেকেই আলোচনায় উঠে আসছে ছবি ‘হাওয়া’। শেষমেশ গত শুক্রবার মুক্তি পেয়েছে পরিচালক মেজবাউর রহমান সুমনের এই ছবি। সপ্তাহ পেরিয়ে গেলেও বহুল আলোচিত ‘হাওয়া’ সিনেমা নিয়ে দর্শকদের ব্যাপক উচ্ছ্বাস দেখা যাচ্ছে। ২৯ জুলাই ২৩টি প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পায় মেজবাউর রহমান সুমন পরিচালিত সিনেমাটি।
শুক্রবার ৫ আগস্ট থেকে এটি চলবে ৪১টি সিনেমা হলে চলবে।
সমুদ্রের পানির সঙ্গে মিশে যাওয়া জেলেদের গল্পে নির্মাণ হয়েছে ‘হাওয়া’। নির্মাণের পাশাপাশি কাহিনি এবং সংলাপ লিখেছেন মেজবাউর রহমান সুমন।
আর দ্বিতীয় সপ্তাহে এসে ‘হাওয়া’ মুক্তি পাচ্ছে প্রায় দ্বিগুণ প্রেক্ষাগৃহে! ‘হাওয়া’ দেখে অনেকেই ছবি নিয়ে তাঁদের মতামত সোশ্যাল মিডিয়ায় তুলে ধরেছেন। কেউ নিয়েছেন ছবি নিয়ে তাঁদের ভালো লাগার কথা।
পরিচালক আরও বলেন, ‘সি ফগ এবং হাওয়া দুটি ছবির শুটিংই সাগরে হয়েছে, সেকারণে হয়তো অনেকের একইরকম মনে হয়েছে। সাগরে দৃশ্য এক হলেই তো আর সিনেমা এক হয় না। পৃথিবীতে সমুদ্রের গল্পে নির্মিত অসংখ্য চলচ্চিত্র রয়েছ।
সিনেমাটিতে অভিনয় করেছেন চঞ্চল চৌধুরী, নাজিফা তুষি, শরীফুল ইসলাম রাজ, সুমন আনোয়ার, নাসির উদ্দিন খান, সোহেল ম-ল, রিজভী রিজু, মাহমুদ হাসান এবং বাবলু বোস।
এদিকে ‘হাওয়া’ ছবিটি নিয়ে বিভিন্ন মতামত দিয়েছেন বাংলাদেশের নেটিজেনরা। তবে সবাই যে শুধু নেতিবাচক কথা বলেছেন, তেমনটাও নয়। সালমা সানি পার্লার নামে একজন লিখেছেন, ‘ভালো কিছু হলে কিছু মানুষ তা মেনে নিতে পারেনা, কীভাবে খারাপ দিক বের করা যায় তাঁরা সেটাই ভাবতে থাকেন।’
আসিফ নজরুল নামে এক নেটিজেন লিখেছেন, ‘নকল করাও একটা যোগ্যতা, এটা কজন পারে? যারা কোনো কিছু করতে পারেন না, তাঁরাই শুধু খুঁত খুজে বেড়ান।’
প্রসঙ্গত, ঘটনাচক্রে মাঝসমুদ্রে গন্তব্যহীন হয়ে পড়ে মাছ ধরার একটি ট্রলার। সেই ট্রলারের আট মাঝি এবং রহস্যময়ে এক বেদেনীকে ঘিরেই এগিয়েছে বাংলাদেশের পরিচালক ‘হাওয়া’ চলচ্চিত্রের গল্প। এতে অভিনয় করেছেন চঞ্চল চোধুরী, শরিফুল রাজ, নাজিফা তুষি, সোহেল ম-ল, অরণ্য় আনোয়ার সহ বাংলাদেশের একাধিক জনপ্রিয় অভিনেতা।
চিত্রগ্রহণ করেছেন কামরুল হাসান খসরু, সম্পাদনা সজল অলক, আবহ সঙ্গীত রাশিদ শরীফ শোয়েব এবং গানের সঙ্গীতায়োজন করেছেন ইমন চৌধুরী।
‘হাওয়া’ সিনেমাটি যেসব হলে চলবে
ঢাকার মধ্যে ॥ স্টার সিনেপ্লেক্স (বসুন্ধরা সিটি), স্টার সিনেপ্লেক্স (সীমান্ত সম্ভার, ধানমন্ডি), স্টার সিনেপ্লেক্স (বঙ্গবন্ধু সামরিক জাদুঘর, বিজয়সরণি), স্টার সিনেপ্লেক্স (এসকেএস টাওয়ার, মহাখালী), স্টার সিনেপ্লেক্স (সনি স্কয়ার, মিরপুর), ব্লকবাস্টার সিনেমাস (যমুনা ফিউচার পার্ক), শ্যামলী সিনেমা (শ্যামলী), মধুমিতা (মতিঝিল), লায়ন সিনেমাস (কেরানীগঞ্জ), চিত্রামহল (বংশাল), সেনা সিনেমা (ঢাকা ক্যান্টনমেন্ট), আনন্দ (ফার্মগেট), গীত (জুরান)।
ঢাকার বাইরে ॥ সেনা অডিটোরিয়াম (সাভার), চন্দ্রিমা (শ্রীপুর), বর্ষা (গাজীপুর), সিনেস্কোপ (বঙ্গবন্ধু সড়ক, নারায়ণগঞ্জ), নিউ মেট্রো (নারায়ণগঞ্জ), চাঁদমহল (কাঁচপুর), পান্না (মুক্তারপুর, মুন্সীগঞ্জ), নবীন (মানিকগঞ্জ), বনলতা (ফরিদপুর), চিত্রাবাণী (গোপালগঞ্জ), ছায়াবাণী (ময়মনসিংহ), শতাব্দী (শেরপুর), আনন্দ (কুলিয়ারচর, কিশোরগঞ্জ), সিল্ভার স্ক্রীণ (ফিনলে স্কয়ার, চট্টগ্রাম), সুগন্ধা (কাজীর দেওরি, চট্টগ্রাম), ছন্দা (পটিয়া), শঙ্খ (খুলনা), লিবার্টি (খুলনা), মনিহার (যশোর), রুপকথা (পাবনা), মৌচাক (ভাঙ্গুরা), মধুবন সিনেপ্লেক্স (বগুড়া), মম ইন (রংপুর রোড, বগুড়া), রুটস সিনে ক্লাব (জেসি রোড, সিরাজগঞ্জ), গৌরি (শাহজাদপুর), শাপলা (রংপুর), গ্রান্ড সিনেপ্লেক্স (সিলেট), নন্দিতা (সিলেট)।