পুলিশ ও এলাকাবাসী জানান, ওই গ্রামের এমদাদুল হকের ৫২ শতাংশ জমির ধান কেটে নিয়ে যায় তার ভাইপো মহুবর রহমান ও একরামুল হক। এ নিয়ে বৃদ্ধ এমদাদুলের ছেলে শরিফুল ইসলাম বাদি হয়ে আদালতে একটি মামলা দায়ের করেন। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে উঠে মহুবর গংরা।
শনিবার(১৪ জুলাই) ওই জমির পাশের পুকুরে মাছ ধরতে যান বাদি শরিফুল ইসলাম ও তার ভাই আসাদুল হাবিব দুলু। এ সময় মহুবর গংরা হঠাৎ দেশী অস্ত্র ও লাঠি নিয়ে তাদের উপর অতর্কিত হামলা চালায়। খবর পেয়ে শরিফুলের বাবা মা ও বোন তাদের উদ্ধার করতে এসে তারাও হামলার শিকার হন।
পরে স্থানীয়রা ছুটে এলে মহুবর গংরা পালিয়ে যায়। স্থানীয়রা আহতদের রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করে প্রথমে লালমনিরহাট সদর হাসপাতালে ভর্তি করে। সেখানে আশংকা জনক অবস্থায় আসাদুল হাবিব দুলু ও রেবেকা বেগমকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার করেন।
লালমনিরহাট সদর হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. মঞ্জুর মোর্শেদ দোলন জানান, সঞ্জাহীন ও আশংকাজনক অবস্থায় দুইজনকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। বাকীদের সদর হাসপাতালে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে।
লালমনিরহাট সদর থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকূতা(ওসি) মাহফুজ আলম জানান, ঘটনাস্থলে ও হাসপাতালে অফিসার পাঠানো হয়েছে। অভিযোগ দিলে ব্যবস্থা নেয়া হবে।