সোমবার, ৩০ মার্চ ২০২৬, ০৩:২৮ পূর্বাহ্ন
শাহজাহান হেলাল,মধুখালী (ফরিদপুর) প্রতিনিধি: ফরিদপুরের মধুখালী উপজেলার ডুমাইন ইউনিয়নের ডুমাইন গ্রামের মাঠপাড়ার অতি দরিদ্র দুই কৃষক পরিবারের বসতবাড়ি থেকে উচ্ছেদের জন্য প্রভাবশালীদের ফরিদপুর কোর্টে মামলা করার অভিযোগ পাওয়া গেছে।
সরোজমিনে জানা গেছে আকমাল শেখ ও ইয়াদ আলী শেখ দুই জনই অশিক্ষিত এবং অসহায় । পরের জমি বর্গা চাষাবাদ এবং কৃষি শ্রমিক হিসেবে কাজ করেন। বাড়ি করার জন্য আকমাল শেখ তাহেরা খাতুনের নিকট থেকে ১৯-০৫-১৯৯৬ সনে মধুখালী থানার অন্তগত ১৩৩ নং ডুমাইন মৌজার মধ্যে এস.এ. ২৭৩৩ নং খতিয়ানে ২৯৭৮ নং দাগে ২০ শতাংশ জমি দলিল মূলে আকমাল শেখ ও হাসান শেখ এর নামে খরিদ করেন। আকমাল শেখ ও ইয়াদ আলী শেখ বসত বাড়ি স্থাপন করে পরিবার নিয়ে বসবাস করছেন।
ডুমাইন গ্রামের প্রভাবশালী মোঃ রেদোয়ানুল ইসলাম মামলাকৃত বাড়ীর দক্ষিন পার্শ্বে এওয়াজ শর্তে মোঃ রজব আলী ও ঝর্ণা বেগমের জমি নিয়ে এবং পশ্চিম পার্শ্বে ওদের ক্রয়কৃত জমি দিয়ে ১৯৯৬ সনে প্রিয়েমশন করেন মামলা নং মিসকেস ৬২/৯৬। একের পর এক ঐ অসহায় পরিবারের নামে মামলা করে যাচ্ছেন। বর্তমান আকমাল শেখ এবং হাসান শেখ মামলা মোকাবেলা করছেন। বসবাসরত ২টি পরিবারের সদস্য সংখ্যা ৯ জন। জমির মিউটিশন আকমাল শেখ গং এর নামে খাজনা পরিশোধ আছে।
এ ব্যাপারে গ্রামবাসিরা জানান মোঃ আকমাল শেখ ও ইয়াদ আলী শেখ ১৯৯৬ সনের আগে ঐ জমি ক্রয় করে বাড়ি নির্মান করেন। তবে জমি রেজিঃ হয় ১৯ /৫/১৯৯৬ সলে। যাহাতে সমস্ত মামলা মকদ্দমা নিরশন করে পরিবার ২টি উচ্ছেদ না হয়ে স্থায়ী ভাবে বসবাস করতে পারেন তার ব্যবস্থার দাবি রাখেন এলাকাবাসি।
ডুমাইন ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ খোরশেদ আলম মাসুমের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন বিষয়টি পুরানো এ ব্যাপারে আমার কিছুই জানা নাই ।
বর্তমান জমির মালিক মোঃ রেদোয়ানুল ইসলামের মোবাইলে যোগাযোগ করলে তিনি জানান এই জমি নিয়ে আমার পিতা ১৯৯৬ সালে প্রিয়েমশন কেস করেন জজ কোট- সুপ্রিম কোর্ট পর্যন্ত আমাদের পক্ষে রায় দেন । সরকারের পক্ষ থেকে ২০০৬ সালে সহকারী জজ আদালত আমাদের জমির দখল বুঝিয়ে দেন । হঠাৎ করে আকমাল শেখেরা রাতের অন্ধ্যকারে ঘর তুলে জমি দখলে নেয় । বতর্মানে দখল উচ্ছেদের একটি মামলা চলমান আছে। সেটার রায়ও আশা করি আমাদের পক্ষে আসবে।