বুধবার, ২৫ মার্চ ২০২৬, ০৫:০৬ অপরাহ্ন
মোঃ মনির হোসেন পিন্টু,চরভদ্রাসন প্রতিনিধি::
ফরিদপুরের চরভদ্রাসন উপজেলার চরসালেপুর এলাকায় পদ্মা নদীতে অবৈধ বাশের বাধঁ দিয়ে মাছ শিকার করে চলেছেন স্থানীয় প্রভাবশালীরা। গত ১ মাস ধরে অবৈধ ভাবে এ বাঁধ দিয়ে মাছ শিকার করলেও উক্ত বাধঁটি নিরোসনে প্রশাসনের নজরে আসছেনা।
বুধবার দুপুরে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, উপজেলার গোপালপুর টু মৈনট ঘাটে যাওয়ার পতিমধ্যে চরসালেপুর এলাকায় প্রায় ১৫শ’ মিটার পর্যন্ত আড়াআড়ি ভাবে কয়েক হাজার বাঁশ পুঁতে অবৈধ বাঁধ দেয়া হয়েছে। নদীর মূল প্রবাহে আড়াআড়িভাবে তৈরি করা বাঁশের বাঁধের সঙ্গে জাল দিয়ে প্রতিদিন অবৈধ ভাবে মাছ শিকার করা হচ্ছে। বাঁধের কারনে পানির স্বাভাবিক প্রবাহ, মাছের অবাধ বিচরন ও নৌ- চলাচল মারাত্বকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। প্রতিদিন অবৈধ বাঁধে জাটকা ইলিশ, রুই, কাতল, চিতল, পাঙ্গাস, বোয়ালসহ জাটকা ইলিশ ধরা পড়ছে। নাম প্রকাশে এক স্থানীয় জানান, কিছু স্থানীয় প্রভাব শালীদের ব্যক্তি স্বার্থে ও লোভে পদ্মায় অবৈধভাবে মাছ শিকারে এলাকার বৈধ মৎস্য জীবিরা তাদের জীবিকা নিবার্হ করতে হিমসিম খাচ্ছে।
বাধেঁর বিষয়ে জানতে চাইলে চরঝাউাকন্দা ইউনিয়ন চেয়ারম্যান ফরহাদ মৃধা বলেন, পদ্মায় অবৈধ বাঁধ দিয়ে মাছ ধরার বিষয়টি আমি জানি না। কেউ যদি করে থাকে তবে কাজটি ঠিক করেনি। তিনি আরো জানান, আমি অবৈধ বাধেঁর বিষয়ে উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তাকে জানিয়েছি। বাধঁ দেওয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে, উক্ত বাধেঁর মালিক কাসেম মেম্বার বলেন, আমরা বাধঁটি উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা ও প্রশাসনের অনুমতি ছাড়াই দিয়েছি। তবে আমরা বাধেঁর মালিকরা সিন্ধান্ত নিয়েছি বাধঁটি আর আমরা রাখবো না। আপনারা নিউজ কইরেন না। আগামীকাল থেকেই আমরা বাধঁটি উঠিয়ে ফেলবো বলে তিনি জানান।
উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মালিক তানভির হোসেন জানান, নদীতে বাধঁটির বিষয়ে আমি জানি না।
তাছাড়া নদীতে এভাবে অবৈধভাবে বাধঁ দেওয়ার কোন সুযোগ নাই। তিনি আরও জানান, ১৯৫০ মৎস্য সংরক্ষন আইন অনুযায়ী নদীতে আড়াআড়িভাবে বাধঁ দেওয়া শাস্তিযোগ্য অপরাধঁ। আমরা অতি শিঘ্রই তদন্ত করে দুই, একদিনের মধ্যে বাধঁটির বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকতা জেসমিন সুলতানা জানান, বাধঁটির বিষয়টি আমি আজকেই জানলাম। আমি এ বিষয়ে মৎস্য কর্মকর্তার সাথে কথা বলেছি। অতি শীঘ্রই আমরা মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে বাধঁ’টির বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিবো বলে জানান তিনি।