সোমবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৬, ০৮:৪১ অপরাহ্ন
নিজস্ব প্রতিবেদক: কয়েক দিন ধরেই দোহার ও নবাবগঞ্জ থানা পুলিশ আওয়ামীলীগ নেতাকর্মীদের বাড়িতে তল্লাশি জোরদার করেছে। তবে ভয় ও আতংকে অনেকইে বাড়িতে না থাকায় বেশীরভাগ নেতাকর্মীকে পায়নি পুলিশ। কোনো মামলা নেই এমন নেতাকর্মীরাও গা ঢাকা দিয়েছে। নেতাদের সাথে পুরনো ছবি ফেসবুক বা মোবাইলে পেলেই তাঁকে গ্রেপ্তার করা হচ্ছে বলে জানায় পুলিশ।
মঙ্গলবার রাত থেকে বুধবার ভোর পর্যন্ত বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে নবাবগঞ্জ দুই ইউপি সদস্যসহ তিন জন ও দোহারে ৩ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তাঁদেরকে বুধবার দুপুর ২ টায় আদালতে প্রেরণ করেছে।
পুলিশ সূত্রে জানায়, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র জনতার উপর হামলার ঘটনায় দায়ের হওয়া মামলার তিন আসামীকে গ্রেপ্তার করেছে নবাবগঞ্জ থানা পুলিশ। এরা হলো বক্সনগরের দিঘীরপারের হতে ইউপি সদস্য মো. সালাহউদ্দিন, মো. লিয়াকত হোসেন এবং নয়নশ্রী এলাকার মো. পান্নু। এরা প্রত্যেকেই বিস্ফোরক আইনের মামলায় এহাজার নামীয় আসামী।
অপরদিকে দোহার থানা পুলিশ অভিযান চালিয়ে লটাখোলা থেকে ঢাকা জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা আবুল কাশেম ও মাহমুদপুর ইউনিয়নের সাধারন সম্পাদক হিমেল খানকে আটক করে। এছাড়া বাস্তা থেকে আবুল খায়ের আটক করে পুলিশ। জানা গেছে, এরা কেউই কোনো মামলায় এজাহার নামীয় আসামী নয়।
এ বিষয়ে দোহার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রেজাউল করিম বলেন, তাঁদের নামে দলীয় পদপদবী থাকায় উপরের চাপে আটক করা হয়েছে। পরে গত বছরের ৪ আগষ্টে ছাত্রজনতার উপর হামলার ঘটনায় দোহার থানায় দায়ের হওয়া বিস্ফোরক আইনের মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।
এ দিকে আওয়ামীলীগ সমর্থক বা কোনো নেতার সাথে পুরনো ছবি বা সেলফি আছে এ বিষয় নিয়ে উদ্বেগ ও আতংকে আছে অনেকে। দোহারের আবুল হাশেম ফকির বলেন, তার ভাতিজার নামে কোনো মামলা নেই। সে প্রবাসে থাকতো। স্বেচ্ছাসেবলীগের সাবেক সভাপতি নির্মল রঞ্জন গুহের(মৃত) বাড়ির পাশে থাকায় অনেকের সাথে ছবি আছে। সেই ছবি দেখেই পুলিশ তাঁকে গ্রেপ্তার করে।