সোমবার, ২৩ মার্চ ২০২৬, ১০:৪৮ পূর্বাহ্ন
মোঃ মনির হোসেন পিন্টু, চরভদ্রাসন প্রতিনিধি::
ফরিদপুরের চরভদ্রাসন উপজেলা সদর বাজারের ভূমি কার্যালয়ের সামনের ব্যস্ততম প্রধান সড়কের ওপর প্রায় এক মাস ধরে একটি স্ট্রিট সোলার প্যানেলের খুটি নিচ থেকে ভেঙ্গে ঝুঁকিপূর্ণভাবে ঝুলন্ত অবস্থায় পরে থাকলেও সেটি প্রশাসনের নজরে আসছেনা বলে ব্যবসায়ীদের অভিযোগ।
সরেজমিনে মঙ্গলবার সকালে সদর বাজার ঘুরে দেখা যায়, সহকারি ভূমি কার্যালয়ের পূর্ব দিকের ব্যস্ততম প্রধান সড়কটির ওপর একটি স্ট্রিট সোলার প্যানেলের খুটি নিচ থেকে ভেঙ্গে কিছু বাসের সাথে ঝুঁকিপূর্ণভাবে ঝুলন্ত অবস্থায় পরে রয়েছে। এতে যে কোন সময় উক্ত ঝুঁকিপূর্ণ খুটিটি ভেঙ্গে পরে ব্যবসায়ী সহ পথচারীদের প্রাণনাশের মত মারাত্বক দুর্ঘটনা ঘটতে পারে বলে একাধিক ব্যবসায়ী ও পথচারীদের অভিমত।
এ বিষয়ে সদর বাজারের ব্যবসায়ী মিজানুর রহমান বলেন, আমরা গত এক মাস ধরে ব্যবসায়ীরাসহ পথচারীরা খুব আতঙ্কের মধ্য দিয়ে বাজারে চলাচল করে আসছি। কেননা আমাদের প্রতিদিন প্রয়োজনীয় কাজে বাজারে অনেকবারই আসা যাওয়া করতে হয়। কিন্তু বাজারের ব্যস্ততম প্রধান সড়কের ওপর সোলারের প্যানেলের খুটিটি যে ভাবে ঝুলন্ত অবস্থায় পড়ে রয়েছে তাতে আমাদের খুব ভয় ও আতঙ্কের মধ্য দিয়ে প্রতিদিন বাজারে চলাচল করতে হয়।
বাজারের আরেক ব্যবসায়ী শেক লিটন হোসেন জানান, এতোদিন ধরে প্রশাসনের নাকের ডোগায় বাজারের ব্যস্ততম সড়কের ওপর একটি লোহার খুঁটি ভেঙ্গে ঝুলে রয়েছে। কিন্তু এবিষয়টি এতোদিনেও সংশ্লিষ্ট দপ্তরের নজরে আসছেনা ও এবিষয়ে প্রশাসন কোনো প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করছেনা বলে তিনি এসময় হতাশা প্রকাশ করেন। তিনি আরো বলেন, উক্ত রাস্তাটি দিয়ে বিভিন্ন স্কুল-কলেজের ছেলেমেয়েরা প্রতিদিন ঝুঁকিপূণ খুটিটির নিজ দিয়েই তারা স্কুল ও কলেজে যাতায়াত করে আসছে।
এবিষয়ে উপজেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন অফিসার আল সাইদ এর কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমি এবিষয়টি সংশ্লিষ্ট ঠিকাদার কোম্পানির লোকদেরকে জানিয়েছি। তারা মনে হয় খুটিটি ওখান থেকে সরায়নি। আমি আবার ওদেরকে বলতেছি। তারা যেন শুক্রবারের আগে খুটিটি সরিয়ে ফেলে বলে তিনি এ প্রতিবেদককে জানান। এদিকে, উপজেলা পিআইও কর্মকর্তা খুটিটি সরানোর কথা বলার পনেরো দিন পার হয়ে গেলেও এখনও পর্যন্ত সংশ্লিষ্টদের পক্ষ থেকে খুটিটির বিষয়ে কোনো প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করা হয়নি।
উপজেলা (ভারপ্রাপ্ত) নির্বাহী অফিসার পূরবী গোদারের কাছে এবিষয়ে জানতে চেয়ে একাধিকবার মুঠোফোনে ফোন দিলেও তিনি তার ফোনটি রিসিপ করেন নি।