শুক্রবার, ১৩ মার্চ ২০২৬, ০৯:১৩ অপরাহ্ন

শিরোনামঃ
ত্রয়োদশ সংসদের প্রথম অধিবেশন: কার্য উপদেষ্টাসহ ৫ সংসদীয় কমিটি গঠন, পর্যালোচনায় আসবে ১৩৩ অধ্যাদেশ ধামরাইয়ে জরাজীর্ণ মিটারে বারবার আগুন: নতুন সংযোগে পল্লী বিদ্যুতের ‘গড়িমসি’, আতঙ্কে ব্যবসায়ীরা রাষ্ট্রপতির পরস্পরবিরোধী বক্তব্য ও নৈতিকতা: পদত্যাগের দাবিতে উত্তাল রাজনৈতিক অঙ্গন ইরানে সরকার পতন সম্ভব নয়: ইসরায়েলের ‘অসহায়’ স্বীকারোক্তি হরমুজ প্রণালিতে ৩ জাহাজে ভয়াবহ হামলা: একটিতে আগুন, নাবিকদের উদ্ধার সালথায় আওয়ামী আমলের সারের ডিলার বাতিলের দাবিতে উত্তাল মানববন্ধন ঝুঁকিপূর্ণ মিটারে অগ্নিকাণ্ডের আতঙ্ক: ধামরাইয়ে নতুন সংযোগ দিতে পল্লী বিদ্যুতের গড়িমসি ও মালিকপক্ষের অসহযোগিতার অভিযোগ জমে উঠেছে ইসলামপুর ঈদের বাজার, খুশি ব্যবসায়ীরা ॥

উলিপুরে কাবিননামার আড়াই লাখ টাকাকে সাড়ে বারো লাখ করার অভিযোগে কাজী গ্রেপ্তার

উলিপুরে কাবিননামার আড়াই লাখ টাকাকে সাড়ে বারো লাখ করার অভিযোগে কাজী গ্রেপ্তার

কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি:: কুড়িগ্রামের উলিপুরে বিয়ের কাবিননামার দেন মোহরের আড়াই লাখ টাকাকে সাড়ে বারো লাখ করার অভিযোগে মামলা হয়েছে। এ ঘটনায় এক কাজীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

শুক্রবার (২৭ ডিসেম্বর) গ্রেপ্তারকৃত নিহাক ও তালাক রেজিষ্টার (কাজী) জাকির হোসেন (৫০) আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে।

মামলা সূত্রে জানা গেছে, উলিপুর পৌরসভার নাড়িকেলবাড়ি পশ্চিম ছড়ারপাড়া এলাকার আব্দুর রহমানের ছেলে নূহনজিউল্লাহ (৩২) এর সাথে উপজেলার ধামশ্রেনী ইউনিয়নের নজরুল ইসলামের কন্যার নাদিরা আনজুম নিহা (২০) ২০২৩ সালে বিবাহ হয়। মেয়ের পক্ষ ১৫ লাখ টাকা দেনমোহর দাবী করলেও উভয় পক্ষের সমঝোতার ভিত্তিতে ২ লাখ ৫১ হাজার টাকা নির্ধারণ হয়ে বিবাহ হয়। ওই সময় মেয়েপক্ষ কাবিননামা মেনে নিতে পারেনি। বিবাহের ২দিন পর নূহনজিউল্লাহর বাড়িতে এসে তার শ^শুর নজরুল ইসলাম কন্যাকে তার বাড়িতে বেড়াতে নিয়ে যায়। পরবর্তীতে বউকে আনতে নূহনজিউল্লাহর শ্বশুর বাড়িতে গেলে তার শ্বশুর বাড়ির লোকজন তাকে জানিয়ে দেয় তারা তাদের মেয়েকে আর ঘর সংসার করাবেন না। এরপর নজরুল ইসলাম ধামশ্রেনী ইউনিয়নের নিহাক ও তালাক রেজিষ্টার জাকির হোসেনের সাথে যোগাযোগ করে দেনমোহরের ২ লাখ ৫১ হাজার টাকার স্থলে জালিয়াতি করে ১২ লাখ ৫১ হাজার টাকা করেন। নূহনজিউল্লাহ কাবিননামার জন্য কাজী জাকির হোসেনের সাথে যোগাযোগ করলে তিনি তালবাহনা শুরু করে ঘোরাতে থাকেন। দীর্ঘদিন পর কাবিননামা পেয়ে দেনমোহরের টাকার স্থলে জালিয়াতি বিষয়টি দেখতে পেয়ে নূহনজিউল্লাহ জেলা রেজিষ্টারের কাছে অভিযোগ করেন। পরবর্তীতে জেলা রেজিষ্ট্রার তদন্ত কর্মকর্তার মাধ্যমে বিষয়টি তদন্ত করে ঘটনার সত্যতা প্রকাশ পায় বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়।

প্রতারনার মাধ্যমে জালিয়াতির প্রেক্ষিতে নূহনজিউল্লাহ বাদী হয়ে বৃহস্পতিবার (২৬ ডিসেম্বর) কাজী জাকির হোসেনকে ১নং আসামী করে ৫ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেন। পরবর্তীতে থানা পুলিশ অভিযান চালিয়ে শুক্রবার কাজী জাকির হোসেনকে গ্রেপ্তার করেন।

উলিপুর থানার ওসি জিল্লুর রহমান জানান, গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তিকে বিজ্ঞ আদালতে মাধ্যমে জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে। অন্যান্য আসামীদেরকে গ্রপ্তারের চেষ্টা চলছে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

© All rights reserved © 2024  Ekusharkantho.com
Technical Helped by Curlhost.com