বৃহস্পতিবার, ০৫ মার্চ ২০২৬, ১২:৫৫ পূর্বাহ্ন
ডেস্ক রিপোর্ট: ঢাকার নবাবগঞ্জের চুড়াইন বাজারে একটি জমি নিয়ে ‘একুশের কণ্ঠে’ সংবাদ প্রকাশিত হয়। প্রকাশিত ওই সংবাদের স্পষ্ট ব্যাখ্যা দিয়েছে সংবাদে অভিযুক্ত করা ওই গ্রামের বাসিন্দা মাসুদ পারভেজ ওরফে কামরুজ্জামান খান।
এক ভিডিও বার্তায় প্রতিবাদ জানিয়ে তিনি বলেন, ‘ হঠাৎ কয়েকদিন আগে দেখতে পাই স্থানীয় একটি পত্রিকার অনলাইনে আমাকে উদ্দেশ্য করে একটি সংবাদ প্রকাশিত হয়৷ সেখানে উল্লেখ করা হয় ‘নবাবগঞ্জে ব্যবসায়ীর জমিতে বিএনপি নেতার সাইনবোর্ড’। পরিপূর্ণ ও সত্য তথ্য ছাড়া এমন সংবাদ প্রকাশের ফলে আমার ব্যক্তিগত ও সামাজিক সুনাম ক্ষুন্ন করা হয়েছে।
প্রকাশিত সংবাদে উল্লেখ করা হয় আমি(কামরুজ্জামান) নাকি ব্যবসায়ীর জমিতে সাইনবোর্ড টাঙিয়েছি। এর প্রতিবাদ জানিয়ে কামরুজ্জামান বলেন, ‘যে জমি নিয়ে সংবাদপত্রে লেখা হয়েছে ওই জমিটি আমি পৈত্রিক(ওয়ারিশান) সূত্রে মালিক৷ দীর্ঘবছর ধরে এই জমিটি আমি ও আমার পরিবার ভোগদখল করে আসছি৷ এপর্যন্ত কখনো কেউ আমাদের কাছে এসে জমিটি মালিকানা দাবি করেনি৷ কিন্তু হঠাৎ আদালত থেকে আমাকে একটি কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়৷ সেখানে জমির মালিকানা প্রমানাধি নিয়ে নিদিষ্ট সময়ে আদালতে হাজির হতে বলা হয়েছে। পরে জানতে পারলাম জমিতে সকল কার্যক্রম বন্ধ রাখতে মালিকানা দাবি করে নিষেধাজ্ঞা জারি করার জন্য আদালতে আবেদন করেছেন, আমাদের প্রতিবেশী আনোয়ার মোড়ল গং।
কিন্তু দুঃখের বিষয় হচ্ছে আদালত থেকে দেওয়া নোটিশ পাওয়ার পরপরই আমার পৈত্রিক (ওয়ারিশান) এই জমিটি নিয়ে চক্রান্ত শুরু করেন প্রতিপক্ষ৷ সাইনবোর্ড টাঙানোসহ নানা মিথ্যা তথ্য ছড়িয়ে অপপ্রচার চালিয়ে যাচ্ছে আমার বিরুদ্ধে।
প্রতিবাদ জানিয়ে কামরুজ্জামান খান আরও বলেন, ‘ এই জমির মালিকানা সকল ধরনের কাগজপত্র আমার কাছে রয়েছে। অথচো আমাকে অভিযুক্ত করে সংবাদপত্রে আমার বিরুদ্ধে সংবাদ প্রকাশ করানো হয়৷
‘সাংবাদিকরা সমাজের দর্পণ। তাদেরকে মিথ্যা তথ্য দিয়ে বিভ্রান্তি করেছেন আমাদের প্রতিপক্ষ৷ আমার কাগজপত্র না দেখে সংবাদ প্রকাশ হওয়ায় এতে আমার সুনাম ক্ষুন্ন হয়েছে। আমাকে হেয়প্রতিপন্ন করতে ও একটি মহল নিজেদের ব্যক্তি স্বার্থে আমার বিরুদ্ধে এসব অপপ্রচার চালাচ্ছেন।
আমাদের বিরুদ্ধে স্থানীয় সংবাদপত্রে অনলাইন ভার্সনে যে সংবাদ প্রকাশ করা হয়েছে এতে পরিপূর্ণ তথ্য নেই। যা ভিত্তিহীন। আমি এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই।