সোমবার, ২৩ মার্চ ২০২৬, ১০:৫০ পূর্বাহ্ন
কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি::
কুড়িগ্রামের রাজারহাটে অবশেষে ধর্ষকের সাথে ধর্ষিতার বিয়ে হয়েছে। ১০ লক্ষ টাকা দেনমোহরের মধ্যে ৯ লক্ষ ৯৮ হাজার ৫শ টাকা বাকী। এঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
জানা গেছে, গত ২১ আগষ্ট রাতে উপজেলার ফতেখাঁ গ্রামের চাঞ্চল্যকর মাদরাসা ছাত্রী ধর্ষণ মামলার আসামী পার্শ্ববর্তী উলিপুর উপজেলার দলদলিয়া ইউনিয়নের কর্পূরা গ্রামের মোফাজ্জল হোসেনের পুত্র সেফারুল ইসলাম (২৫) এর সাথে ওই ধর্ষিতা মেয়েটির বিয়ে হয়। উভয়পক্ষের পরিবারের লোকদের উপস্থিতিতে ১০ লক্ষ টাকা দেনমোহর ধার্য করে বিয়ে হলেও নগদ ১ হাজার ৫শ টাকা ছাড়া দেনমোহরের পুরো টাকাই বাকী রাখা হয় বলে জানান প্রত্যক্ষদর্শী ও বিবাহ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ব্যক্তিরা।
ঘড়িয়ালডাঁঙ্গা ইননিয়নের নিকাহ রেজিষ্টার (কাজী) সাইফুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে জানান, ২১ আগষ্ট রাতে উভয় পক্ষের অভিভাবকের উপস্থিতিতে বিবাহ রেজিষ্ট্রী করেছি এবং রাতেই মেয়েটিকে শ্বশুর বাড়িতে নিয়ে গেছে। রাজারহাট থানার অফিসার ইনচার্জ রাজু সরকার বলেন, বিয়ের কথা শুনেছি।
উল্লেখ্য, উপজেলার ঘড়িয়ালডাঁঙ্গা ইউনিয়নের ফতেখাঁ কারামতিয়া দাখিল মাদরাসার এক দাখিল পরীক্ষার্থীর সাথে পার্শ্ববর্তী উলিপুর উপজেলার দলদলিয়া ইউনিয়নের কর্পূরা গ্রামের মোফাজ্জল হোসেনের পুত্র সেফারুল ইসলাম (২৫) এর পূর্ব পরিচয় ছিল। সেই সূত্র ধরে সেফারুল বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে মেয়েটিকে জোড়পূর্বক ধর্ষণের অভিযোগে ধর্ষিতার পিতা বাদী হয়ে গত ১৯ মে ২০২০ তারিখে রাজারহাট থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। যা তদন্তাধীন রয়েছে।