শুক্রবার, ১৩ মার্চ ২০২৬, ১২:৫৯ পূর্বাহ্ন

শিরোনামঃ
ত্রয়োদশ সংসদের প্রথম অধিবেশন: কার্য উপদেষ্টাসহ ৫ সংসদীয় কমিটি গঠন, পর্যালোচনায় আসবে ১৩৩ অধ্যাদেশ ধামরাইয়ে জরাজীর্ণ মিটারে বারবার আগুন: নতুন সংযোগে পল্লী বিদ্যুতের ‘গড়িমসি’, আতঙ্কে ব্যবসায়ীরা রাষ্ট্রপতির পরস্পরবিরোধী বক্তব্য ও নৈতিকতা: পদত্যাগের দাবিতে উত্তাল রাজনৈতিক অঙ্গন ইরানে সরকার পতন সম্ভব নয়: ইসরায়েলের ‘অসহায়’ স্বীকারোক্তি হরমুজ প্রণালিতে ৩ জাহাজে ভয়াবহ হামলা: একটিতে আগুন, নাবিকদের উদ্ধার সালথায় আওয়ামী আমলের সারের ডিলার বাতিলের দাবিতে উত্তাল মানববন্ধন ঝুঁকিপূর্ণ মিটারে অগ্নিকাণ্ডের আতঙ্ক: ধামরাইয়ে নতুন সংযোগ দিতে পল্লী বিদ্যুতের গড়িমসি ও মালিকপক্ষের অসহযোগিতার অভিযোগ জমে উঠেছে ইসলামপুর ঈদের বাজার, খুশি ব্যবসায়ীরা ॥

রোহিঙ্গা ফেরতে বাংলাদেশ-মিয়ানমার চুক্তি চূড়ান্ত

ই-কণ্ঠ ডেস্ক রিপোর্ট:: বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গাদের মিয়ানমারের রাখাইনে ফেরত পাঠানোর বিষয়ে ‘ফিজিক্যাল অ্যারেঞ্জমেন্ট’ নামের মাঠপর্যায়ের একটি চুক্তি আজ মঙ্গলবার সকালে চূড়ান্ত হয়েছে। এ বিষয়ে সোমবার টানা ১৩ ঘণ্টা বৈঠক হয়।

এরপর মঙ্গলবার সকালের বৈঠকে চুক্তিটি চূড়ান্ত হয়। রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন শুরুর দুই বছরের মধ্যে তা সম্পন্ন করা হবে বলে চুক্তিতে দু’পক্ষই সম্মত হয়েছে।

মিয়ানমারের রাজধানী নেপিডোতে দু’দেশের পররাষ্ট্র সচিব পর্যায়ের জয়েন্ট ওয়ার্কিং গ্রুপের (জেডব্লিউজি) বৈঠকে চুক্তিটি চূড়ান্ত রূপ পায়। এতে পররাষ্ট্র সচিব মো. শহীদুল হক বাংলাদেশের ও মিয়ানমারের পররাষ্ট্র সচিব মিন্ট থোয়ে তার দেশের নেতৃত্ব দেন।

পররাষ্ট্র সচিব মো. শহীদুল হক জানিয়েছেন, রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনের জন্য ফিজিক্যাল অ্যারেঞ্জমেন্ট চূড়ান্ত করা হয়েছে। ফেরত পাঠানো রোহিঙ্গাদের জন্য একটি ফরমের রূপও চূড়ান্ত করা হয়েছে। চুক্তিতে প্রত্যাবাসনের সংখ্যাসহ সংশ্লিষ্ট বিষয়গুলো উল্লেখ আছে। জাতিসংঘের শরণার্থী সংস্থার ভূমিকার বিষয়টি এখানে যুক্ত করা হয়েছে। প্রত্যাবাসনের পর রাখাইনে রোহিঙ্গাদের জীবন-জীবিকার বিষয় নিশ্চিত করার বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত আছে।

দুই পক্ষ আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করলে ঠিকঠাকভাবে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনের কাজ শুরু করা যাবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।

বৈঠক সূত্রে জানা গেছে, চুক্তি অনুযায়ী প্রত্যাবাসন দুই বছরের মধ্যে তা সম্পন্ন করতে হবে। এর মধ্যবর্তী বিভিন্ন সময়ে এ প্রক্রিয়ার অগ্রগতির বিষয়টি পর্যালোচনা করা হবে। প্রত্যাবাসন যাতে দ্রুত শেষ করা যায় সেজন্য দু’দেশের সীমান্তের জিরো পয়েন্টে থাকা রোহিঙ্গাদের দিয়ে কাজ শুরু করতে সম্মত হয়েছে বাংলাদেশ ও মিয়ানমার।

বৈঠক সূত্রে আরও জানা গেছে, প্রতি সপ্তাহে ১৫ হাজার করে রোহিঙ্গা ফেরত পাঠানোর প্রস্তাব দেয় বাংলাদেশ। আর মিয়ানমারের প্রস্তাব ছিল সপ্তাহের পাঁচ দিন ১ হাজার ৫০০ করে রোহিঙ্গাকে ফেরত নেওয়া। এর ফলে দু’টি প্রস্তাবের মধ্যবর্তী প্রস্তাব অনুযায়ী, প্রতিদিন ৩০০ থেকে ৫০০ করে রোহিঙ্গা ফেরত পাঠানো হতে পারে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

© All rights reserved © 2024  Ekusharkantho.com
Technical Helped by Curlhost.com