শনিবার, ০৬ Jun ২০২৬, ০২:১২ অপরাহ্ন

শিরোনামঃ
আ.লীগের চুরি ও পাচারের কারণেই বিদ্যুৎ-জ্বালানি খাতে চাপ : তথ্যমন্ত্রী নেতৃত্বহীন তিন মাস: ফাইল জটে স্থবির দুদক, নিয়োগের খোঁজে সার্চ কমিটি যুদ্ধ ক্ষমতা হ্রাসের বিল পাসে ক্ষুব্ধ ট্রাম্প, মধ্যপ্রাচ্যের ১৪ দেশে মার্কিন ভ্রমণ সতর্কতা শাহজালালের কার্গো ভিলেজে আগুন, ফায়ার সার্ভিসের দ্রুত তৎপরতায় রক্ষা ৬০০ বছরের ঐতিহ্যে ছেদ: কুমিরশূন্য খানজাহান আলীর দিঘি, ক্ষুব্ধ ভক্ত ও এলাকাবাসী এনসিপির ছায়া বাজেট: আকার সাড়ে ৮ লাখ কোটি টাকা, ১২ খাতে ৭১ প্রস্তাব জামালপুরে সপ্তম শ্রেনীর শিক্ষার্থী ধর্ষন ঘটনায় থানায় মামলা ‎অপরাধমুক্ত সমাজ গঠনে লালমনিরহাটে সামাজিক অপরাধ পর্যবেক্ষণ কমিটির অবহিতকরণ সভা

বড়পুকুরিয়া মামলায় খালেদা জিয়াসহ তিনজনকে অব্যাহতি

বড়পুকুরিয়া মামলায় খালেদা জিয়াসহ তিনজনকে অব্যাহতি

আদালত প্রতিবেদক, একুশের কণ্ঠ:: বড়পুকুরিয়া কয়লাখনি দুর্নীতি মামলায় বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া, সাবেক মন্ত্রী ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন ও আলতাফ হোসেন চৌধুরীকে খালাস দিয়েছেন আদালত। অপর চার আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেওয়া হয়েছে।

বুধবার (২৭ নভেম্বর) ঢাকার তিন নম্বর বিশেষ জজ আদালতের বিচারক মো. আবু তাহের এ আদেশ দেন।

অভিযোগ গঠনের মাধ্যমে যাদের বিচার শুরু হয়েছে তারা হলেন-সাবেক জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ সচিব নজরুল ইসলাম ও পেট্রোবাংলার সাবেক পরিচালক মঈনুল আহসান, হোসাফ গ্রুপের চেয়ারম্যান মোয়াজ্জেম হোসেন ও মো. সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী।

এদিন আসামিদের পক্ষে অব্যাহতি চেয়ে আইনজীবী মাসুদ আহমেদ তালুকদার, সৈয়দ জয়নুল আবেদীন মেজবাহ শুনানি করেন। দুদকের পক্ষে অভিযোগ গঠনের প্রার্থনা করে শুনানি করেন প্রসিকিউটর মীর আহমেদ আলী সালাম।

অপর ৯ আসামি বিভিন্ন সময় মৃত্যুবরণ করায় তাদেরকে মামলা থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়। তারা হলেন- সাবেক মন্ত্রী এম সাইফুর রহমান, এম কে আনোয়ার, আব্দুল মান্নান ভূঁইয়া, মতিউর রহমান নিজামী, আলী আহসান মোহাম্মদ মুজাহিদ, এম শামসুল ইসলাম, এস আর ওসমানী, এ কে এম মোশাররফ হোসেন ও ব্যারিস্টার মো. আনিসুল হক।

বিগত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময় ২০০৮ সালের ২৬ ফেব্রুয়ারি খালেদা জিয়া ও তার মন্ত্রিসভার সদস্যসহ ১৬ জনের বিরুদ্ধে বড়পুকুরিয়া কয়লাখনি দুর্নীতি মামলা দায়ের করে দুদক। শাহবাগ থানায় মামলাটি করেন দুর্নীতি দমন কমিশনের তৎকালীন সহকারী পরিচালক মো. সামছুল আলম।

কনসোর্টিয়াম অব চায়না ন্যাশনাল মেশিনারি ইম্পোর্ট অ্যান্ড এক্সপোর্ট করপোরেশনকে (সিএমসি) বড়পুকুরিয়া কয়লাখনির অনুমোদন দিয়ে রাষ্ট্রের কয়লা উত্তোলনে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ দরদাতা সিএমসির সঙ্গে বড়পুকুরিয়া কয়লাখনির উৎপাদন, ব্যবস্থাপনা ও রক্ষণাবেক্ষণ চুক্তি করায় সরকারের প্রায় ১৫৮ কোটি ৭১ লাখ টাকার ক্ষতি হয়।

পরে এ মামলা দায়েরের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট করেন খালেদা জিয়া। ২০০৮ সালের ১৬ অক্টোবর হাইকোর্ট বেঞ্চ বড়পুকুরিয়া কয়লাখনি মামলার কার্যক্রম স্থগিত করেন। একই বছরের ৫ অক্টোবর আদালতে এ মামলায় চার্জশিট দেওয়া হয়।

সংবাদটি শেয়ার করুন

© All rights reserved © 2024  Ekusharkantho.com
Technical Helped by Curlhost.com