শনিবার, ০৬ Jun ২০২৬, ০১:২৫ অপরাহ্ন

শিরোনামঃ
আ.লীগের চুরি ও পাচারের কারণেই বিদ্যুৎ-জ্বালানি খাতে চাপ : তথ্যমন্ত্রী নেতৃত্বহীন তিন মাস: ফাইল জটে স্থবির দুদক, নিয়োগের খোঁজে সার্চ কমিটি যুদ্ধ ক্ষমতা হ্রাসের বিল পাসে ক্ষুব্ধ ট্রাম্প, মধ্যপ্রাচ্যের ১৪ দেশে মার্কিন ভ্রমণ সতর্কতা শাহজালালের কার্গো ভিলেজে আগুন, ফায়ার সার্ভিসের দ্রুত তৎপরতায় রক্ষা ৬০০ বছরের ঐতিহ্যে ছেদ: কুমিরশূন্য খানজাহান আলীর দিঘি, ক্ষুব্ধ ভক্ত ও এলাকাবাসী এনসিপির ছায়া বাজেট: আকার সাড়ে ৮ লাখ কোটি টাকা, ১২ খাতে ৭১ প্রস্তাব জামালপুরে সপ্তম শ্রেনীর শিক্ষার্থী ধর্ষন ঘটনায় থানায় মামলা ‎অপরাধমুক্ত সমাজ গঠনে লালমনিরহাটে সামাজিক অপরাধ পর্যবেক্ষণ কমিটির অবহিতকরণ সভা

দুই-দশ লাখ টাকায় রাজাকার থেকে মুক্তিযোদ্ধা

ই-কণ্ঠ ডেস্ক রিপোর্ট:: দুই থেকে দশ লাখ টাকা নিয়ে রাজাকারদের মুক্তিযোদ্ধা বানিয়ে দেয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছে ‘একাত্তরের মুক্তিযোদ্ধা’ নামের একটি সংগঠন। রাজাকারদের মুক্তিযোদ্ধা বানানোর এ কাজে হাজার কোটি টাকার বাণিজ্য হচ্ছে বলেও সংগঠনটির পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়।

শুক্রবার সকাল সাড়ে ১০টায় জাতীয় প্রেসক্লাবের কনফারেন্স লাউঞ্জে সংগঠনটির পক্ষ থেকে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব অভিযোগ উত্থাপন করা হয়। ‘বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সাংবিধানিক স্বীকৃতি প্রদান এবং ২০১৭ সালের মুক্তিযোদ্ধা যাচাই-বাছাই সম্পূর্ণ বাতিলসহ সব তালিকা থেকে ভুয়া মুক্তিযোদ্ধা অপসারণের দাবিতে এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।

সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনের আহ্বায়ক আবীর আহাদ বলেন, ২০১৭ সালের জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিলের (জামুকা) এক নির্দেশিকায় ভারতীয় ও লাল মুক্তিবার্তার মুক্তিযোদ্ধাদের সাক্ষ্যের ভিত্তিতে যে কোনো ব্যক্তি মুক্তিযোদ্ধা হতে পারবেন-এমন একটি আত্মঘাতী সিদ্ধান্তের ফর্মুলা নির্দেশিকায় জুড়ে দেয়। ফলে যাচাই-বাছাই কমিটির অধিকাংশ সভাপতি/সদস্য ও সুযোগ সন্ধানীরা পুরো যাচাই-বাছাই প্রক্রিয়াকে একটি বাণিজ্যিক হাতিয়ার বানিয়ে ফেলে। টাকার বিনিময়ে রাজাকারদের মুক্তিযোদ্ধা বানিয়ে দেয়ার নামে হাজার হাজার কোটি টাকার বাণিজ্যের অভিযোগ করেন তিনি।

আবির আরও বলেন, ‘মুক্তিযুদ্ধে সরাসরি অংশগ্রহণকারী মুক্তিযোদ্ধার সংখ্যা কোনো অবস্থাতেই দেড় লাখের বেশি হবে না। কিন্তু বর্তমানে মুক্তিযোদ্ধা তালিকায় মুক্তিযোদ্ধার সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ১৫ হাজারের বেশি।’ সংগঠনটির অভিযোগ, মুক্তিযোদ্ধা বানানোর নামে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়, জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিল, মুক্তিযোদ্ধা সংসদ কমান্ড কাউন্সিলসহ ক্ষমতাসীন দলের সংসদ সদস্য ও পাতি নেতারা অর্থবাণিজ্যে জড়িয়ে পড়েছে। আবীর আহাদ বলেন, ‘মুক্তিযুদ্ধে আমরা মুক্তিযোদ্ধারা বীরত্বপূর্ণ অবদান রাখলেও জাতীয় সংবিধানে সেই অবদানের কোনো স্বীকৃতিই নেই। আর ভুয়া মুক্তিযোদ্ধাদের কারণে আমাদের মানসম্মান ধুলায় লুণ্ঠিত।’ সরকারের কাছে ‘মুক্তিযুদ্ধ’ ও ‘মুক্তিযোদ্ধা’ শব্দ দুটির সাংবিধানিক স্বীকৃতি দাবি করেন তিনি।

এ সময় জানানো হয়, বীর মুক্তিযোদ্ধাদের মর্যাদার সাংবিধানিক স্বীকৃতি প্রদান ও মুক্তিযোদ্ধা তালিকা থেকে ভুয়া মুক্তিযোদ্ধাদের বিতাড়নের দাবিতে দেশব্যাপী একটি সর্বাত্মক আন্দোলন গড়ে তোলার লক্ষ্যে ‘একাত্তরের মুক্তিযোদ্ধা’ নামে একটি সংগঠন আত্মপ্রকাশ করেছে। শুক্রবার সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে সংগঠনটির ৭১ সদস্যবিশিষ্ট একটি কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা করা হয়।

সংবাদটি শেয়ার করুন

© All rights reserved © 2024  Ekusharkantho.com
Technical Helped by Curlhost.com